Friday, February 17, 2012

সম্পর্ক

              শিয়ালদা হতে ট্রেনে চেপে বসলেন বিবি, মানে অধ্যাপক বিলাস বসু।গন্তব্য সোদপুর।এই দুপুরে এত ভীড় হবে ধারনা ছিল না।বসা দূরে থাক ফুটবোর্ডে দাড়াবার জায়গা পেয়ে পার্টিশনে হেলান দিয়ে দাড়াতে পেরেছেন তাই যথেষ্ট।গিজগিজ করছে নানা বয়সি  লোক,বিবির সামনেই একটি বছর কুড়ি-বাইশের ছেলে টাল সামলাতে না-পেরে গায়ের উপর এসে পড়ছে।অধ্যাপক বিবি পার্টিশানে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে,একটু সুবিধে জনক অবস্থান।
          কাকু আপনি কোথায় নামবেন? ছেলেটির লোভ বিবির জায়গাটার উপর।
          সোদপুর।কটা স্টেশন পর সোদপুর?
          এরপর চারটে স্টেশন।ছেলেটি জবাব দেয়।ট্রেনের নিয়মিত যাত্রী নয় বিবি।একটি বিশেষ কারনে এক সহকর্মির বাসায় আজ যেতে হচ্ছে।ভদ্রমহিলার সোদপুর পানশিলায়  ফ্লাট।
          হঠৎ খেয়াল হয় একটি হাত এসে তার ধোনের উপর লাগছে। সরে যাবার তার উপায় নেই।যা ভীড় এমন ঘটতেই পারে।এবার ধোনের উপর হাতটা লেগে আছে।কার হাত? আশপাশে তাকিয়ে বোঝার চেষ্টা করেন।সচেতন ভাবে না অচেতন ভাবে বোঝার চেষ্টা করেন। সামনে দাঁড়ানো ছেলেটির সঙ্গে চোখাচুখি হতে হাতটা সরে গেল। বিবি  মৃদু হেসে ভীড়ের মাথার উপর দিয়ে বাইরের দিকে তাকালেন। ট্রেন ছুটে চলেছে বাড়ী ঘর-দোর সব সরে সরে যাচ্ছে। জানলার ধারে বসে বাইরের দৃশ্য দেখার মধ্যে বেশ রোমাণ্টিকতা আছে।
          ট্রেন বিধান নগরে ঢুকছে,ছেলেটি বিবির বুকের কাছ ঘেষে এসে ধোনটা চেপে ধরলো।বিবি মলদ্বারে চাপ দিয়ে ধোনটা মৃদু নাড়তে থাকে,শক্ত হয়ে গেছে।লোক যা নামল উঠল তার কয়েকগুন বেশি।ছেলেটি আরো কাছে ঘেষে এল, বিবি হাত নীচে চালান করে ওর পাছায় চাপ দিল।ও মুচকি হাসলো,কিছু বলল না।
           এই ভীড়ে কোথায় হাত ঢোকাচ্ছেন দাদা? কে একজন বলল।
           দেখছি পার্সটা ঠিক আছে কিনা? বিবি সাফাই দেয়।
           হ্যা-হ্যা,এই ভীড় হচ্ছে ধান্দাবাজদের মওকা---।
           ইতিমধ্যে চেন খুলে বাড়াটা বের করে এনেছে ছেলেটি।বিবি চারদিক লক্ষ্য করেন,কেউ দেখছে কিনা? যা ভীড় নীচে কি হচ্ছে ইচ্ছে থাকলেও দেখার উপায় নেই।
         তোমার নাম কি? জিজ্ঞেস করেন বিবি।
         জয়দীপ,আপনি জয় বলবেন।
         জয়,তুমি কি করো?
         আমি বি.এ. পড়ি.....কলেজে।    
         এইযে ভাই বি.এ তোমার ব্যাগটা হাতে নিয়ে নাও।একজন মধ্যবয়সি যাত্রী বলে।
         জয় তার স্কুল ব্যাগটি পিঠ থেকে নামিয়ে বিবির দিকে এগিয়ে দিয়ে বলে,কাকু একটু ধরবেন?
         বিবি হাত বাড়ীয়ে ব্যাগটি নেন।এই ভীড়ে হকাররা তাদের পসরা নিয়ে তাদের কাজ করে চলেছে।মাথার উপর দিয়ে চলছে বিক্রী-বাট্টা। ছেলেটি ধোনের ছাল ছাড়িয়ে টিপছে।বিবির শরীর শিরশির করে।ছেলেটি বুকে মুখ গুজে ফিস ফিসিয়ে বলে,বেশ মোটা চুষতে ভাল লাগবে।কোন উত্তর দেয়না বিবি।
          বেশ কিছু লোক নামল বেলঘরিয়ায়।সোদপুর কতদুর কে জানে? প্লাটফর্ম বড় করার কাজ চলছে।কাধের ঝোলা ব্যাগটা টেনে সামনে নিয়ে আসে যাতে আড়াল হয় একটু।ছেলেটি বাড়াটি ঠেলে প্যাণ্টের ভিতর ঢুকিয়ে দিল।কি ব্যাপার বোঝার আগেই ছেলেটি বলল, কাকু এগিয়ে আসুন।এবার নামতে হবে।
         জয় ভীড় ঠেলে দরজার দিকে এগিয়ে যায়।বিবি তাকে অনুসরন করেন।ট্রেন সোদপুর পৌছাতে একরকম ঠেলে নামিয়ে দিল প্লাট ফর্মে।প্রচুর লোক নামল সোদপুরে।বিবি ভাবে এবার কোন দিকে যাবে?
         কাকু আপনি কোথায় যাবেন?ছেলেটি জিজ্ঞেস করে।
         আমি যাব পানশিলা।
         আপনার জায়গা আছে পানশিলায়?
         আমি কলকাতায় থাকি।পানশিলায় এক কলিগের বাসায় যাব।
         ওহ্‌।আমার জায়গা আছে,আপনি যাবেন? খুব ভাল লাগবে দেখবেন।
         জায়গা কোথায়? তোমার বাড়ি? শোনো আমার নাম বিলাশ বসু,আমি পড়াই।
         না, আমার বাড়ি না।আমার পিসির ফ্লাট,পিসি অফিস গেছে।আমার কাছে ডুপ্লিকেট চাবি থাকে।
         তোমার পিসির বাড়ি আর কেউ থাকে না?
         না, পিসি ডিভোর্সি,একা থাকে।
         কিন্তু এখন তো যেতে পারব না।ঘণ্টা খানেক পর আসতে পারি।
         ভালই হবে,আমি ততক্ষনে বাড়ি গিয়ে খেয়েদেয়ে আসি।ঐ যে দেখুন হলুদ রঙের ফ্লাট,নাম .......এ্যাপার্টমেণ্ট। তিন তলায় দশ নম্বর ফ্লাট।কাউকে কিছু জিজ্ঞেস করতে হবে না,উঠে কলিং বেল টিপবেন,আমি থাকবো।
          ঠিক আছে।পানশিলা কি ভাবে যাব বলতো?
          এখান থেকে রিক্সায় উঠুন।বিবি আপনি আসবেন তো?আপনার কণ্টাক্ট নম্বরটা দেবেন?
          হ্যা আসব।হেসে বিবি ওকে মোবাইল নম্বর দিলেন।
          ছেলেটি রিক্সায় উঠিয়ে দিয়ে চলে যায়।রিক্সায় উঠে ঘড়ি দেখেন বিবি।প্রায় দু-টো বাজতে চলল। রঞ্জনাকে বেতনের টাকাটা বুঝিয়ে দিয়েই চলে আসবেন,বেশি দেরি করবেন না।অসুস্থ কদিন ধরে যেতে পারছে না কলেজে।বিধবা মাকে নিয়ে একা থাকে।রিক্সা থেকে নেমে বাড়ি চিনতে অসুবিধে হয় না।শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত তাই অনেকে চেনে।খুব খুশি হয়েছে রঞ্জনা। খাতির যত্ন করলো,ওর মায়ের সঙ্গে আলাপ হল।তাড়াহুড়ো করেও বেরোতে বেরোতে তিনটে বেজে গেল।রিক্সা নিয়ে একেবারে ....এ্যাপার্টমেণ্টের নীচে গিয়ে নামল।জয়কে দেখতে পেল দাঁড়িয়ে আছে ব্যালকনিতে।মোবাইল বেজে ওঠে।
         হ্যালো?
         আমি জয়,তুমি কোথায়?
         আমি তোমার ফ্লাটের নীচে।
         তরতর করে উঠে গেল তিনতলায়,বেল টেপার আগেই দরজা খুলে গেল।খালি গা একটা শর্ট পরে আছে জয়।মুখে খুশির হাসি।হাত বাড়িয়ে কাধের ঝোলা ব্যাগটি নিয়ে হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখে।একটি ঘরে নিয়ে যায় বিছানা পাতা। পিসির শোবার ঘর সম্ভবত।টি-শার্ট খুলে বিছানায় আরাম করে বসে বিলাস বসু।জয় পাখার স্পিড বাড়িয়ে প্যাণ্ট খুলে দেয়।নিজেও প্যাণ্ট খুলে ফেলে।
          বিলাস খাট থেকে নেমে জয়কে জড়িয়ে ধরে চুমু খায়।নিজের ঠোট ঠেলে দেয় বিবির মুখে।বিবি লক্ষ্য করে জয়ের ব্রেষ্ট বেশ ফোলা ফোলা।দু-হাতে চেপে ধরে জয়ের দুধ।
          কি ভাল লাগছে না? জয় জিগেস করে।
          হ্যা সোনা খুব ভাল লাগছে।তুমি আগে কাউকে দিয়ে চুদিয়েছো?
          হ্যা,আমার কোচিংযের স্যর।ওনার বাড়াটা ছোট,তোমার মত নয়। 
          উনি কি এখনো চোদেন?
          জয় চুপ করে থাকে কিছুক্ষন তারপর বলে,আমি কোচিং ছেড়ে দিয়েছি।
          বিবি জয়ের মাই টিপতে টিপতে জিজ্ঞেস করেন,কেন ভাল পড়ায় না?
          না তা নয়।স্যরের বউ একদিন দেখে ফেলে আমাকে তাড়িয়ে দেয়।
          জয় বিবির বাড়াটা ধরে নারাচাড়া করছে।বিবি জিজ্ঞেস করেন,আচ্ছা জয়,তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করছি,তোমার পিসি কি জানেন তোমার এইসব ব্যাপার?
          জয় ফিক করে হেসে ফেলে বলে,আমার পিসির বয়স বেশি না।ওই দেখুন দেওয়ালে ছবি।ছোট করে চুল ছাটা চোখে সান গ্লাস, আধুনিকা মহিলা।বয়স চল্লিশের মধ্যে।
          পিসি পুরোপুরি জানে না,তবে আমাকে জড়িয়ে শুয়ে থাকে আদর করে।খুব ভালবাসে আমাকে।জয় আর দেরি করে না,বাড়াটা মুখে পুরে চুষতে শুরু করে দিয়েছে।ঠোটের কষ বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে লালা।বড় বড় নিশ্বাস পড়ছে দুহাতে চেপে ধরেছে বিবির পাছা।একসময় মুখ তুলে জিজ্ঞেস করে,ক্রীম লাগবে?
          ক্রীমের দরকার নেই,চেপে ঢুকিয়ে দেব,আমার বাড়া বেশ হার্ড।অবশ্য একটূ লাগালে তোমার কষ্ট কম হবে।
          কি ভাবে চুদবে?
          কোচিংযের স্যর কি ভাবে চুদতেন?
          আমি উপুড় হয়ে পাছা উচু করে শুতাম।উনি আমার পিঠে চড়ে চুদতেন।
          কেমন ভাবে চুদলে তোমার বেশি ভাল লাগবে?
          বিবি তুমি সামনা-সামনি চুদতে পারবে?বেশ দুজন দুজন কে দেখব,চুমু খাব।
          বিছানায় জয়কে উপুড় করে শুইয়ে দিয়ে ওর পাছা টিপতে থাকেন।চিৎ করে দুধ দুটো দলাইমলাই করেন বিবি।জয় মিনি বেড়ালের মত গায়ে গা ঘষতে থাকে।জয়কে কোলে তুলে নিজের ঠাটানো বাড়ার উপর পিছন করে বসিয়ে গাঁড়ের ফুটোয় বাড়া সেট করে চাপ দিতে পুচপুচ করে ঢুকতে থাকে।জয় আঃ-আঃ করে বাঁধা দেয়।
          কি হল লাগছে? বিবি জিজ্ঞেস করে।
          তোমার বাড়া বেশ মোটা,একটু ক্রীম দিয়ে নেও।
          জয় উঠে ড্রেসিং টেবিল থেকে একটা টিউব নিয়ে এল।ভাল করে বাড়াটায় মাখিয়ে একদলা নিজের গাঁড়ে লাগাল।তারপর পিছন ফিরে পাছা ফাক করে বাড়ার উপর চেপে বসে।ফু-উ-উ-চ করে ঢুকে গেল জয়ের শরীরে।বিবি হাত দিয়ে জয়ের বাড়া খেচতে শুরু করে।কোমর নাড়িয়ে জয়ের শরীরে বাড়াটা ঢোকায় আর বের করে।জয় তিড়িং তিড়িং করে লাফাচ্ছে বিবির কোলে।
         ওরা বুঝতে পারেনি নাইটল্যাচ খুলে জয়ের পিসি ফিরে এসেছেন অফিস থেকে।ভেজানো দরজার ফাক দিয়ে  বিস্ফারিত চোখ মেলে দেখছেন ভাই-পোর চোদন-কাণ্ড।ভাই-পোর গে-স্বভাব সম্পর্কে আগে দু-এক কথা কানে এলেও আজ চাক্ষুষ করলেন।কিন্তু এই লোকটা কে,কোথা থেকে জোটালো? দেখে ভদ্র বলে মনে হচ্ছে।হ্যাঙ্গারে ঝোলানো ব্যাগ হাতড়ে বুঝতে পারে ভদ্রলোক অধ্যাপনা করেন।
        জয় কাৎরে ওঠে,ফিচিক-ফিচিক করে বীর্যপাত করে।লোকটি জয়কে চিৎ করে ক্ষিপ্ত হয়ে কোমর নাড়িয়ে ঠাপাতে লাগল।দু-হাতে জয়ের দুধ খামচে ধরেছে।এক সময় গোঙ্গাতে গোঙ্গাতে লোকটি জয়ের উপর নেতিয়ে পড়ে। গাঁড়ের ভিতর থেকে বাড়াটা টেনে বের করতে পিসির  চোখ কপালে ওঠার জোগাড়।এই মাস্তুল ঢূকিয়েছিল জয়ের গাঁড়ে? বেশ নধর পুরুষ্ট বাড়া,মুণ্ডিটা বর্তুলাকার তেলেকুচা ফলের মত লাল টুক টুক করছে।
         পিসি দরজায় শব্দ করেন,যেন এইমাত্র এলেন।
         মনে হচ্ছে পিসি এসেছে? জয় বলে।পরস্পর মুখ চাওয়া-চাওয়ি করে ওরা দ্রুত পোষাক পরে নেয়।বিবির বাড়া এখনও শক্ত হয়ে আছে।
         পিসি তুমি কখন এলে? নিরীহ গলায় জয় জিজ্ঞেস করে।
         এই এলাম।ওনাকে ত চিনলাম না?
         বিবি ইনি আমার পিসি সোমা সেনগুপ্ত।আর পিসি উনি অধ্যাপক বিলাস বসু।
         নমস্কার।বিবি বলেন।
         প্রতি নমস্কার করে বিবিকে বসতে বলেন সোমা।
         না, বসব না।অনেক্ষন এসেছি।
         একটু বসুন।আমি চা করছি।সোমা বলেন। 
         অগত্যা বিলাসকে বসতে হয়।মনে মনে বোঝার চেষ্টা করেন ভদ্রমহিলা কিছু দেখেন নি তো? ভাগ্যিস সময়মত ডিসচার্জ হয়ে গেছে।সোমা চেঞ্জ করে ফিরে আসেন,পরনে থ্রি-কোয়ার্টার প্যাণ্ট এবং ছিটের শার্ট।উচানো গাঁড়,মেয়েদের গাঁড় এমনিতে একটু ভারি হয়।শ্যামলা রঙ, কাধ পর্যন্ত চুল।মৃদু হেসে কিচেনে চলে গেলেন।
          কেমন লাগল পিসিকে? হেসে জিজ্ঞেস করে জয়।
          তোমার পিসি কিছু বুঝতে পারেনি তো?
          না-না বিবি তুমি চিন্তা কোর না।পিসি খুব মাই ডিয়ার দেখবে।
          তোমার পিসির ডিভোর্স হয়েছে কতদিন?
          বছর দুই মত।
          কি নিয়ে গোলমাল জানো?
          গোলমাল কিছু না।হি কুডণ্ট স্যাটিসফাই মি।সোমা ঢুকতে ঢুকতে বলেন,আই কিক হিম আউট।
          বিলাস অপ্রস্তুত বোধ করে।ভদ্রমহিলা সত্যিই খুব স্মার্ট।লজ্জা পেয়ে বলেন,আই এ্যাম স্যরি মানে....।
          আই ডিডণ্ট মাইণ্ড,আই লাইক ফ্রাঙ্ক টক।জয়কে কি করে চিনলেন?নিন চা খান।
          সোমা চায়ের কাপ এগিয়ে দেন।
          আমার এক কলিগ থাকে পানশিলা,ট্রেনে আলাপ।জয় আমাকে খুব হেল্প করেছে।
          কলিগ? কি নাম?
          রঞ্জনা পাল।আপনি চিনবেন না।
          ওকে বলবেন সোমাকে চেনে কিনা?মুচকি হাসেন সোমা।
          আপনি চেনেন?
          আমরা মন্মথনাথে একসঙ্গে পড়তাম।জানি না কেন আজও বিয়ে করল না।অবশ্য বিয়ে করেনি ভালই করেছে।
          বিয়ে করা কি খারাপ?বিলাস কৌতুহল প্রকাশ করে।
          না খারাপ বলছি না...এক মুহুর্ত ভেবে বলেন,ঝুকির ব্যাপার।যদি ছাঁচে ছাঁচে মিলে যায় ভাল না-হলে যন্ত্রনাবহ সারা জীবন।আপনি বিয়ে করেছেন?
          কি জবাব দে্বে ভাবতে থাকে।সহজভাবে কিভাবে বলা যায়।
          অসুবিধে থাকলে বলতে হবে না।জয় তুমি একটু পাশের ঘরে গিয়ে বোসো।
          ভদ্রমহিলা সম্ভবত বিলাসের অবস্থা অনুমান করে থাকবেন।বিলাস বলেন,কিছু মনে করবেন না।আমি সব ব্যাপারে একটু উদার,এমন কি সম্পর্কের ক্ষেত্রেও।বিয়ে করেছিলাম কিন্তু ও এ্যাডজাস্ট করতে পারল না।
          আপনাকে বলেছিলাম ছাঁচে না পড়লে সব গোলমাল।যদি কিছু মনে না করেন জিজ্ঞেস করি,সম্পর্কের ব্যাপারে কি বলছিলেন?
          আমি বিশ্বাস করি জাত-পাত বয়স লিঙ্গ সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে কোন বাঁধা হতে পারে না।
          সমলিঙ্গেও সম্পর্ক হতে পারে?
          অবশ্যই পারে যদি পরস্পর স্বস্তি  বোধ করে।বা শান্তিও বলতে পারেন।
          পরস্পর বিয়েও করতে পারে? 
          বিয়েকে আমি বড় ব্যাপার মনে করিনা।সম্পর্কে আশঙ্কার কোন স্থান নেই।আশঙ্কা থেকেই আসে বিয়ে করে বেঁধে ফেলার প্রবনতা।যেভাবে কুত্তাকে বেঁধে রাখে তার প্রভু।যাতে চিরকাল বশ্যতা স্বীকারে বাধ্য হয়।
         সন্ধ্যে হয়ে এল।বিলাসকে বাড়ি ফিরতে হবে।সেই সকালে বেরিয়েছে।সোমার সঙ্গে কথা বলে খারাপ লাগল না। খুব সুন্দরি না-হলেও চেহারায় একটা আকর্ষন আছে।সোমা মনে মনে বিলাসের কথাগুলো ভাবেন।কথাগুলো কি আন্তরিক,না সাজিয়ে বলছে? একসময় জয়কে ডাকেন,কিছু খাবার আনার ফরমাস দেবার জন্য।বিলাস আপত্তি করেন,না মিস সেনগুপ্ত মানে....আমি উঠি আর একদিন হবে।
         আপনি আমাকে সোমা এবং তুমি বলতে পারেন।
         আর তুমি আপনি-আপনি করবে?
         না, আমি তোমাকে বিলু বলবো,আপত্তি আছে?
         তুমি খুশি হলেই আমি খুশি।আজ আসি সোমা?
         সোমার ঠোটে ইঙ্গিতবহ হাসি।বিলাস বসু সিড়ি বেয়ে নীচে নামেন।উপরের দিকে তাকিয়ে দেখেন ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে সোমা হাত নাড়ছে।
চলবে]    
               
           

Saturday, October 15, 2011

দিশা খুঁজে ফেরে

azbull_hot.blogspot.com
                সন্ধার আধার ক্রমশ গাঢ় হয়।ময়দানের চারপাশে রাস্তায় বাতিস্তম্ভের আলো আরো উজ্জ্বলতর দেখায়। ময়দানের একপ্রান্তে সুমনকে কোলে নিয়ে বসে আছি।বাইশ-তেইশ বছর হবে সুমন ,বয়স্ক লোক ওর ভাল লাগে।আমি ওকে বলেছি আমার বয়স, প্রায় তিন গুন। কে শোনে কার কথা।আমার প্যাণ্টের চেন খুলে পুরুষাঙ্গটি ওর মুঠিতে ধরা।নানা সুখ-দুঃখের গল্প করছি। বিশেষ করে গে-জীবনের যন্ত্রনার কথা। সমাজ আমাদের কিভাবে দেখে,কেন আমাদের প্রতি এত ঘৃনা?ওকে চুমু দিলাম।কখনো নীচু হয়ে সিমি পুরুষাঙ্গটি চুষছে। সুমনই বলেছে ওকে সিমি বলতে।
    আচ্ছা নীল,তুমি সত্যি আমায় ভালবাসো? সিমি জিজ্ঞেস করে।
    তোমার কি মনে হয়? এতদিন পরে এ প্রশ্ন?
    রাগ কোরনা লক্ষিটি, আমার শুনতে ভাল লাগে।

         আমি জড়িয়ে ধরে চুমু খাই সিমিও ওর জিভটা মুখের ভেতর ঠেলে দেয়। রাত বাড়ছে অন্ধকারে ঘড়ি দেখে সময়  বোঝার উপায় নেই।হঠাৎ অন্ধকার ফুড়ে যমদুতের মত চারটে ছায়া মূর্তির উদয়।এরা কারা? পুলিশ নয় পোষাক দেখে বোঝা যায়। ষণ্ডা-গণ্ডা টাইপ আমাদের ঘিরে ফেলেছে।সিমি ঝট করে পুরুষাঙ্গটা প্যাণ্টের মধ্যে ঠেলে দিয়ে উঠে দাড়ায়।
        এখানে কি হচ্ছে?
         কি আবার হবে? আমরা গল্প করছি।
         উরি-শা-ল আ।এতো ছেলে!শালা গাঁঢ় মারামারি করা হচ্ছে?
          আমি আর চুপ থাকতে পারলাম না, প্রতিবাদ করি, ভদ্রভাবে কথা বলুন।
          বাঞ্চোৎ ভদ্রতা শেখাতে এসেছে--।বলেই আমার গালে ঠাস করে এক চড় বসিয়ে দেয়।
          খবরদার গায়ে হাত দেবে না। সিমি গর্জে ওঠে।
          এই খোকা কি নাম রে তোর? বড্ড তেজ দেখছি।
          সিমি।
          কি?
          ওর নাম সুমন।আমি বললাম।
          হঠাৎ ওদের নজরে পড়ে আমার প্যাণ্টের চেন খোলা।সেদিকে তাকিয়ে একজন বলল,আর-ই মাইরি! দোকানের ঝাপ এখনো বন্ধ হয়নি।তারপর একটা হাত দিয়ে বাড়াটা ছুয়ে এমনভাবে সরিয়ে নিল যেন বিদ্যুতের ঝটকা লেগেছে।
        কি হল রে বাচ্চু?
        কি সাইজ মাইরি! এ জিনিষ বাচ্চাটা নিতে পারবে? শ্লা ফেটে চৌচির হয়ে যাবে না?
        কি কাকু,এত বয়স হল আপনার লজ্জা করে না?
        ঠিক আছে ভুল হয়ে গেছে। আমি কথা বাড়াতে চাইলাম না।
       কান ধর।
       না। নীল তুমি কান ধরবে না।অসভ্য লোক গুলোর কথা তুমি শুনবে না,দাঁড়াও আমি পুলিশ ডাকছি।
       কিছু বলছি না তাই? ছেলেটাতো ম্যালা ফ্যাচ ফ্যাচ করছে।এই ফোট--ফোট বলছি----।
       কেন এটা তোমাদের জমিদারি নাকি?
      সিমি আমার দিব্যি তুমি যাও।আমি বললাম।সিমি থতমত খেয়ে তাকিয়ে রইল আমার দিকে।তারপর অভিমান নিয়ে ধীরে ধীরে চলে গেল ময়দান ছেড়ে। 
      এই যে  এবার কান ধর।
       চারদিকে দেখলাম,গোলমাল শুনে ভীড় জমেনি।কেলেঙ্কারির একশেষ হত।কান ধরলাম।
      এবার ওঠবোস শুরু কর।
      ছেড়ে দে বাচ্চু। অপর একটি ছেলে বলল।আচ্ছা কাকু বাচ্চা ছেলে আপনার ছেলের বয়সী একটু লজ্জা করল না? ছিঃ কাকু  ছিঃ।এতো যৌন বিকার! আপনি কাউন্সেলিং করান।
       অন্যায় হয়ে গেছে ভাই।
       দীপু তুই এসব মাল চিনিস না,সুযোগ পেলেই আর একটা বাচ্চাকে ধরে গাড় মারবে--
       ঠিক আছে ,বাপের বয়সী লোক কি বলবো।দীপু বলে।
       যা ফোট এ যাত্রায় দীপুর জন্য বেঁচে গেলি।
       ধীরে ধীরে মাঠ ছেড়ে রাস্তায় এলাম।পাকুড় গাছের নীচে বাধানো বেদিতে বসলাম।খুব ক্লান্ত একাকী মনে হচ্ছিল।
খুব অপমান হল।সংবাদ পত্রে খবর হবার ভয়ে নীরবে সহ্য করলাম।ওদের মধ্যে দীপু ছেলেটা ভদ্র,সম্মান দিয়ে কথা বলছিল।যৌন বিকার কথাটা শুনে মজা লাগল।কোনটা স্বাভাবিক আর কোনটা বিকার কে ঠিক করবে?হঠাৎ কার হাতের স্পর্শে চমকে মুখ তুলে তাকালাম,সিমি তুমি যাওনি?
       তুমি কি করে ভাবলে তোমাকে এভাবে একলা ফেলে আমি চলে যাব? সারারাত আমি ঘুমোতে পারতাম?
       সিমির কথায় চোখে জল চলে এল।পাশে বসে সিমি।
       তোমার খুব খারাপ লাগছে তাই না? সিমি আমার গালে চুমু খায়।
       খারাপ লাগার কি আছে? ইতিহাস ঘাটলে দেখবে  সংখ্যালঘুরা আবহমানকাল ধরে সংখ্যাগুরুদের দ্বারা লাঞ্ছিত হয়ে এসেছে।এতো কোন নতুন ঘটনা নয় সিমি। নতুনকে নানা বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে প্রতিষ্ঠা পেতে হয়।    
       তোমার কথা শুনলে আত্মবিশ্বাস জাগে।সিমি চেন খুলে পুরুষাঙ্গটা বের করে নেয়।বাড়া ঘাটতে ওর কি যে ভাল লাগে।যতক্ষন একসঙ্গে থাকি আমার বাড়াটা নিয়ে ঘাটাঘাটি করবে।আমি
বাধা দিই না।ওর যখন ভাল লাগে ধরে থাকুক।ওকে জড়িয়ে ধরে হাটতে থাকি গঙ্গার দিকে।নির্জন পথ একটু আগের গ্লানি শীতল বাতাসে যেন উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
          জান নীল আমার ইচ্ছে করে সারাক্ষন এটাকে নিয়ে খেলা করি।
          আমার প্রতি তোমার তাহলে কোন টান নেই?
          ওমা! আমি কি তাই বললাম? এটাছাড়া তুমি আর তুমি ছাড়া এটা কি সম্ভব?
          সিমি তুমি আমাকে খুব ভালবাসো ?
          বোকার মত প্রশ্ন কোর না তো।নীল তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করব?
          কি কথা ? আহ-আঃ,আস্তে টানো ছিড়ে ফেলবে নাকি?
          সিমি হেসে ফেলে বলে,হ্যাঁ ছিড়ে আমার কাছে রেখে দেব। 
          আমরা আকাশবানী ভবনের কাছে চলে এসেছি।রাস্তাটা বেশ নির্জন,সিমিকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেলাম।সিমি আমার গলা জড়িয়ে ধরে।কে যেন আসছে দূর থেকে। তাড়াতাড়ি ছেড়ে দিয়ে আমরা হাটতে থাকি।সিমি কোন কথা বলে না,কেমন চুপচাপ।লোকটি পাশ দিয়ে যেতে যেতে অদ্ভুত ভাবে আমাদের দেখে।
          কি ভাবছো সিমি?
          নিজের কথা ভাবছি।ঈশ্বর আমাকে নিয়ে কি করতে চায়? জানি না---।দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে।
          চিন্তা কোর না,পথ একটা বেরিয়ে যাবে।
          আচ্ছা নীল আমরা এক সঙ্গে থাকতে পারিনা?
          তা হয় না।
          কেন হয় না? তুমি তো আমাকে ভালবাসো।আমি কি তোমায় সুখ দিতে পারি না?
          শোন সিমি অবুঝ হয়ো না।আমি বিবাহিত।
          কেন তুমি বিয়ে করলে?
          যখন বিয়ে করি তখন আমার প্রকৃত স্বরূপ বুঝতে পারিনি।
          জানো আমি ছবি আঁকায় মন দিতে পারি না।কি ভাবে আমার জীবন কাটবে,ভাসতে ভাসতে কোথায় গিয়ে ঠেকবে.....।
          সেই ছেলেটার কি খবর? যে একাডেমিতে তোমাকে চুমু খেল?
          ওঃ পৃথীশ? ও সেক্স ছাড়া কিছু বোঝে না।বিয়ে দূরের কথা লিভটুগেদারেও রাজী নয়।দিল্লীর প্রদর্শনীতে আলাপ। আমাকে ছোটখাট কিছু কাজ পাইয়ে দিয়েছে।
          তোমরা কি এক কলেজ থেকে পাস করেছো?
          না-না পৃথ্বীশ দিল্লী থেকে আর আমার গভঃ আর্ট কলেজ।ওর ফাইন আর্টস আমার স্কাল্পচার।
  
          ছেলেটা  কিন্তু তোমার সঙ্গে মানাবে।তোমার প্রতি দুর্বলতা আছে।
          আমারো ভাল লাগত,দিল্লীতে আমরা একরাত সহবাস করেছি।
           দেখতে দেখতে আমরা বাবুঘাটে চলে এসেছি। ফুচকা আলুকাবলিওয়ালা কিছু ভবঘুরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে।সারি সারি বাস দাঁড়িয়ে নানা গন্তব্যের।গঙ্গার তীরে এসে দাড়ালাম।গঙ্গার চড়া প্রসাধন এক মহিলা একটি পুরুষের সঙ্গে কথা বলছে।ওদের অতিক্রম করে আমরা নীচে নামছি কানে এল সেই মহিলার গলা, হোমো।কান দিলাম না।তীরে সারি সারি নৌকা বাধা।একটি মাঝি গলুইয়ে দাঁড়িয়ে গঙ্গার দিকে কি যেন দেখছে।
            ভাই কত ভাড়া?
            ঘণ্টা পঁচিশ টাকা। আসুন ভিতরে বিছানা আছে।
            সিমি এস।আমরা নৌকায় উঠলাম।মাঝি বিড়িতে শেষ টান দিয়ে নৌকা ভাসিয়ে দিল। ছইয়ের থেকে নীল পর্দা ঝুলছে ভিতরে ঢুকে পড়লাম।
           বাবু বিছানায় যেন না পড়ে।মাঝি বলে।
           নৌকা ভাটির টানে পশ্চিম-দক্ষিন দিকে ভেসে চলল।চাঁদের আলো এসে পড়েছে।দু'জনে উলঙ্গ হলাম।সিমি আর দেরী করল না,বাড়াটা মুখে নিয়ে চোষা শুরু করে দিল।কিছুক্ষন পরেই ইটের মত শক্ত,বুঝলাম দেরী করলে মুখেই পড়ে যাবে।ফুর ফুর করে হাওয়া দিচ্ছে।সিমি বা-হাত দিয়ে বালে মৃদু টান দিচ্ছে।দেখতে পাচ্ছি সিমির পাছায় চাঁদের আলো পড়েছে।ও খুব ফর্সা,বুক বেশ উচু।মাথার চুলে হাত বুলিয়ে দিয়ে বললাম,এবার তুমি শুয়ে পড় সোনা।
       আর একটু।সিমি বলল।আমি ওকে উপুড় করে শুইয়ে দিলাম।নৌকা মাঝ  নদীতে প্রায়।ও পাড়ে অন্ধকার জোনাকির মত জ্বলছে বাতি স্তম্ভের আলো।পাছা টিপতে লাগলাম নরম মসৃন পাছা।মৃদু কামড় দিলাম পাছায়।
                পাছাটা একটু উচু করো সোনা।সিমি কনুইয়ে ভর দিয়ে পাছা উচু করল। দুহাতে পাছা ফাক করতে তামার পয়সার মত রক্তাভ গুপ্তাঙ্গ দেখতে পেলাম।একঘণ্টা সময় আর দেরী করা ঠিক হবেনা।ঠাটানো বাড়াটা  ঠেকিয়ে জোরে ঠাপ দিতে সিমি ককিয়ে উঠল, উর-ই মাগো-ও-ও-।
               মাঝি বলল, বাবু আস্তে,শব্দ কইরেন না।
               কি সিমি লাগছে?
               নাঃ-আ।তুমি  চুদে যাও।
               জলে বৈঠার জলে পড়ার ছলাক ছলাক শব্দ তালে তালে আমি ঠাপ দিতে থাকি।সিমি উম-হু উম-হু করে ঠাপ উপভোগ করে।ভাবছি সিমি জিজ্ঞেস করছিল "আমি কি সুখ দিতে পারি না"।সিমি তুমি আমাকে যা সুখ দিচ্ছো আমি ভুলব না।ওরে দেখে যা বাচ্চা ছেলে নেতে পারবে কিনা।
              জোরে জোরে নীল আমার ভিতরটা শূর শূর করছে,বাড়া দিয়ে ভাল করে ঘষে ঘষে দাও।
              আমি  ঠাপের গতি বাড়ালাম।নৌকা এবার উজান ঠেলে উত্তর-পুব দিকে চলেছে। পুর পুর করে ঢোকাচ্ছি আবার বার করছি। ধীরে ধীরে তীর স্পষ্ট হচ্ছে।আর পারছি না,শরীর কাঁপিয়ে গল গল করে উষ্ণ বীর্য সিমির শরীরে ঢেলে দিলাম।কিছুক্ষন বিশ্রাম নিয়ে সিমিকে চিৎ করে কোলে বসালাম।আমার বুকে হেলান দিয়ে বসল। ডান হাতে ওর পুচকে বাড়াটা খেচতে লাগলাম। সিমি পা-দুটো সামনের দিকে মেলে দিয়েছে।একটু আগের সুখের আবেশ ওর চোখে মুখে।
            কিছক্ষন খেচার পর পিচ পিচ ক রে মাল বেরিয়ে এল।
            সিমি উ-হু-উ   উ-হু-উ করে উঠল।মাঝি বলল, আস্তে আমরা পাড়ের কাছে এসে গেছি।উজান ঠেলে নৌকা তীরে ভিড়তে চলেছে।আমরা প্যাণ্ট জ়ামা পরে নিলাম।সিমির পাছার থেকে রস গড়িয়ে আমার পেটে পড়েছে।ভাবছি আমরা তীরে পৌছালাম সিমি কি তার দিশা খুঁজে পাবে? 

Thursday, September 22, 2011

কুঁড়ি হতে ফুল হয়ে ওঠার গল্প

azbull_hot.blogspot.com

চন্দ্রনাথের কথা                                                                                                                                                          শৈশব থেকে আমি মাকে নকল করতাম। মার মত বসে পেচ্ছাপ করতে পছন্দ।মার সঙ্গে বাথ রুমে গিয়ে বসে পেচ্ছাপ করতাম।মার মত অত শব্দ হতনা আমার। মাকে সবাই বলতো বিভা-দি।পাড়ার প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষিকা আমার মা। আমিও মার সঙ্গে স্কুলে যেতাম।প্রথমদিন একটা মজার ব্যাপার হয়েছিল।আমাকে দেখে হেডস্যর মাকে বললেন, বিভাদি এটি কে?আপনার মেয়ে বুঝি? মা হেসে কুটিকুটি,অন্যান্য দিদিমনিরাও যোগ দিল মার সঙ্গে।হেডস্যর বিব্রত।গৌরী-দি বলল, মাষ্টার মশায়,ও বিভা-দির ছেলে।হেডস্যর নিজেকে সামলে নিয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, নাম কি? আমি আদ-আদ গলায় জবাব দিলাম,চন্ননাত গোশ।হেডস্যর আমাকে একটা চক  উপহার দিলেন।
       স্কুলের সর্বত্র আমার অবাধ গতি।দিদিমনিরা আদর করে গাল টিপে দিত।কোন ছেলে আমার গায়ে হাত দিলে আমি লজ্জায় সঙ্কুচিত বোধ করতাম।পাঁচ বছর বয়সে স্কুলে ভর্তি হলাম।বাথ রুমে বসে পেচ্ছাপ করার অভ্যাস ছাড়তে পারিনি।নর্দমায় কেউ দাঁড়িয়ে পেচ্ছাপ করছে দেখলে আমার ভীষণ লজ্জা করত,আমি তাকাতে পারতাম না।
         তারপর হাইস্কুলে ঢুকলাম।অঙ্কে কাঁচা হলেও বরাবর প্রথম দশজনের মধ্যে থেকেছি।যেবার  নাইনে উঠলাম,মদনের সঙ্গে আলাপ।মদন আমার চেয়ে বছর কযেকের বড়, তাগড়াই ডাকাবুকো চেহারা। নাইনে ফেল করে আমার সহপাঠি। ছেলেরা আমাকে লেডিস বলে ক্ষেপাত।আমার খুব খারাপ লাগত তা নয়,আমি আমল দিতাম না। বিভা-দির ছেলে তায় মেধাবী,সকলে আমাকে ভালবাসতো।একদিন একটা ছেলে আমাকে লেডিস বলায় মদন তার উপর ঝাপিয়ে পড়ে।এক ঘুষিতে নাক ফেটে গল গল করে রক্ত বেরোতে লাগল।হেডস্যরের কানে যেতে তিনি মদনের পিঠে বেত ভেঙ্গে বললেন, জানোয়ার ছেলে ! স্কুলে মস্তানি করতে আসো।
         মদন কোন প্রতিবাদ করে না,মুখ বুজে সব সহ্য করে।আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল।শেষে হাতে থান ইট দিয়ে সারাদিন করিডোরে দাড় করিয়ে রেখেছিল।আমি লুকিয়ে কেঁদেছিলাম।মদনের সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠতা আরো বেড়ে গেল।ক্লাসে আমরা পাশাপাশি বসতাম।আমার হাত নিয়ে মদন খেলা করত,আঙ্গুলে আঙ্গুল ঢুকিয়ে,আঙ্গুল ফুটিয়ে দিত।কখনো গা-টিপে দিত। কেউ দেখলেও কিছু বলতে সাহস পেত না,সবাই মদনকে ভয় পেত।একবার মদন বলল ,চন্দা তোর মাইগুলো বেশ বড়।
         খুব লজ্জা লাগল,জিজ্ঞেস করলাম, তোমার খারাপ লাগে?
        --না রে,টিপতে খুব আরাম লাগছিল।
        --আমারও।মৃদু স্বরে বললাম।
       ঘণ্টা বাজতে হৈ-হৈ করে সবাই ছুটল বাড়ি মুখো। গম গম স্কুলে মুহূর্তে নেমে এল নীরবতা।মদন বলল ,তুই একটু দাঁড়া চন্দা,আমি বাথরুম করে আসি।হাতে স্কুল ব্যাগ ধরিয়ে দিয়ে মদন চলে যায়।যখন টিপছিল ভাল লাগছিল,এখন বুকটা জ্বালা করছে।এ কেমন সুখ? একে একে দরজা পাখা বন্ধ করে বাহাদুর চলে গেল।মদন কোথায় গেল,এত দেরী হচ্ছে? একটু এগিয়ে দেখতে গিয়ে আমার দম বন্ধ হবার জোগাড়। মাথাটা পিছন দিকে হেলিয়ে বা-হাত কোমরে রেখে ডান হাতটা জোরে জোরে নাড়ছে।মদনের কি হল?
     --এই কি হযেছে ?
      ঘুরে দাঁড়িয়ে গোঙ্গাতে গোঙ্গাতে মদন বলল,বাড়া খেচছি।
      আমার কান লাল হয়ে গেল।এসব কথা তো অসভ্য লোকেরা বলে।মদনের মুঠির মধ্যে বিঘৎ খানেক লম্বা কালো ধোন,মুণ্ডিটা পাঁঠার মেটের মত রং।এমন করছে যেন ধোনের চামড়াটা ছিড়ে ফেলবে।দেখলাম পেচ্ছাপের ফুটো দিয়ে সাদা কফের মত আঠালো পদার্থ ছিটকে বেরোতে লাগল।মদন কাহিল হযে পড়ল।বুঝতে পারলাম কেন সবাই ওকে খারাপ ছেলে বলে।
     প্যাণ্টের চেণ টেনে মদন আরামের শ্বাস ছেড়ে বলল, ওঃ! এতক্ষনে শান্তি! তোর বুক টিপে হেভি হিট উঠে গেছিল।আমি কোন উচ্চবাচ্য করলাম না।
      --আচ্ছা চাদু, তুই বাড়া খেছিস না?
      --আবার অসভ্য কথা? মদন ফ্যালফেলিয়ে আমাকে দেখে।
      --অসভ্য কথা কিরে?
      --ঐ সব ছোটলোকেরা বলে।তুমি ও রকম বলবে না।
      --সত্যি চাদু তুই একেবারে ছেলে মানুষ! চলতি বাংলায় বাড়া গুদ চোদাচুদি কোন খারাপ কথা নয়।প্রতিটি জীব চোদাচুদি করে।স্যর বলেন শুনিস নি? মৌমাছির পায়ে পায়ে পরাগ-সংযোগ হলে গর্ভ সঞ্চার হয়। তেমনি বীর্য গুদের মধ্যে পড়ে পেট হয়। দেখিস নি গৌরী -দি কেমন পেট ফুলিয়ে স্কুলে আসতো? মেয়েদের প্রতি মাসে ডিম ফেটে রক্ত বের হয় তাকে মাসিক বলে, মেয়েরা বলে শরীর খারাপ।মনে পড়ল মা একদিন বাবাকে বলছিল,শরীর খারাপ। গভীর বিস্মযে মদনকে দেখছিলাম,কি গভীর জ্ঞান! তুলনায় কিছুই জানি না।ওর প্রতি শ্রদ্ধা বেড়ে গেল। কেন যে সবাই ওকে দুরছাই করে বুঝিনা। হঠাৎ প্যাণ্টের ভিতর হাত ঢুকিয়ে আমার নুনুটা বের করে ছাল ছাড়াতে লাল মুণ্ডিটা বেরিয়ে এল।মদন নিজের ঠোটে লিপষ্টিকের মত ঘষতে লাগল।
     --এই ছাড়ো ছাড়ো, কেউ দেখে ফেলবে? আমি বাধা দিলাম।
     --তোর বাড়াটা মেয়েদের লিপষ্টিকের মত ছোট।
    লজ্জায় আমার কান ঝা-ঝা ক রে উঠল। ইচ্ছে করছিল মদনের ঐটা মুখের মধ্যে নিয়ে চুষি।ওর প্রতি বিরূপ ভাবটা আর নেই।
    বেশ কাটছিল দিনগুলো। একদিন ছাত্র-ধর্মঘটের জন্য  তাড়াতাড়ি ছুটি হয়ে গেল স্কুল। বাড়ি ফিরছি,আগে জানলে স্কুলে আসতাম না।
মদন বলল, এক জায়গা যাবি?
    --কোথায়?
   --চল না,বেশ মজা হবে।
   --কোথায় বল না?
  --দোলনা পার্ক! একদম ফাকা।
  --দুপুরে ঢুকতে দেবে?
  --কে দেখবে,চল তো।
    রেলিংয়ের ভাঙ্গা জায়গা দিয়ে আমরা ঢুকলাম।নির্জন পার্ক,গাছের ছায়া ঢাকা বেঞ্চ গুলোয় ভবঘুরেরা ঘুমোচ্ছে নিঃসাড়ে।মদন পাঁচিলে উঠে পা দোলাচ্ছে।আমি ওর হাটু ধরে নীচে দাঁড়িয়ে গল্প করছি। নিরিবিলি পেয়ে খুব ইচ্ছে করছিল ওর ঐটা ধরতে, আবার লজ্জা করছিল।একটা বসার জায়গা নেই।
   --চাদু,তোকে আর কেউ ক্ষেপায় না তো?
  --সামনে বলার সাহস নেই,আড়ালে-আবডালে কি বলে না ?
  --কি বলে? মদনের পা-দোলানি থেমে যায়।
  --বলে মদনার মাল।ফিক করে হাসলাম।
  --কোন শাল-আ বলে? কি নাম বলতো?
  --না,তুমি কিছু বলবেনা।সেদিন হেডস্যর তোমাকে মস্তান বললেন আমার খুব খারাপ লেগেছে।আমার কান্না পাচ্ছিল জানো?
   মদন অবাক চোখে আমাকে দেখে। লজ্জায় মাথা নীচু করে থাকি আমি।
  --তুই আমাকে খুব ভালবাসিস, তাই নারে?
  --জানি না যাও।
   পাঁচিল থেকে লাফ দিয়ে নেমে আমাকে জড়িয়ে ধরে মদন বলে, আমিও তোকে খুব-খুব ভালবাসিরে সোনা।
    মদনের শক্ত ঐটা আমার তলপেটে খোচা মারে, বাবাঃ! কি শক্ত!
 --তোমারটা শক্ত হয়ে গেছে।
 --ভালবাসার কথা শুনলে ঐ রকম হয়।
 আমি হাত দিয়ে চেপে ধরলাম।ইটের মত শক্ত ,বেকালে ভেঙ্গে যাবে মনে হয়। মদন আমার পাছা টিপতে থাকে।হাটু গেড়ে বসে চেন খুলে বাড়াটা বের করে চুষতে শুরু করি।নতুন অভিজ্ঞতা, রক্তে যেন সুখের বান।
 --কি রে,ভাল লাগছে না?
 --হুম। বাড়া মুখ থেকে বের না করে বললাম।
 হঠাৎ মাথাটা সরিয়ে দিয়ে মদন বাড়াটা ঢুকিয়ে নেয়।কি ব্যাপার বোঝার আগেই কানে এল, কেয়া হোতা?
 তাকিয়ে দেখি বিহারী দারোয়ান যমদূতের মত দাঁড়িয়ে আছে।
  --কুছ নেহি ,আমরা গল্প করতা হায়-। মদন জবাব দেয়।
  --কিউ ঘুষা? দো পহরমে ঘুষনা মানা হায়। কাঁহাসে ঘুষা ?নিকালো---নিকালো--হারামি কাহে কা--
 --যাতা হায় --যাতা হায়,চল চাদু  বিকেলে আসবো।
   অতৃপ্ত মন নিয়ে আমরা পার্ক থেকে বেরিয়ে এলাম।ভাগ্যটাই খারাপ।বাড়া চোষায় এত আনন্দ আগে জানা ছিল না।কোন স্বাদ নেই রস নেই অথচ অনির্বচনীয় এক অনুভূতি শরীরের কোষে কোষে সুখের প্লাবণ এনে দেয়।দারোয়ানের প্রতি রাগে গা-জ্বলছিল।এত লোক শুয়ে আছে, বেছে বেছে আমাদের উপর নজর।না পাওয়ার বেদনা এত তীব্র ধারনা ছিল না। আফশোস বুকে নিয়ে সেদিন ফিরতে হল।
    মদনের প্রকৃতি ছিল হিংস্র,স্কুলের সবাই ওকে ভয় পেত।কিন্তু আমার কাছে নিরীহ বেড়াল ছানার মত।ওকে বোঝাতাম, তোমাকে সবাই এড়িয়ে চলে,তোমার খারাপ লাগে না? মাসীমা কত আশা নিয়ে কত কষ্ট করে তোমাকে পড়াচ্ছে।তোমার কি ইচ্ছে করে না বড় হয়ে মাসীমার মুখে হাসি ফোটাতে? আজ যারা তোমাকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করছে,পারোনা কি মানুষের মত মানুষ হয়ে তাদের মুখের মত জবাব দিতে?
        মদনের মুখে বিষাদের হাসি খেলা করে। উদাসীন দৃষ্টি চলে যায় দিগন্ত পেরিয়ে অনেক অনেক দূর।মুখে কোনো কথা নেই।এক সময় দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে।আমার হাত ধরে থাকা মুঠি শিথিল হয়।
  -- কিছু বলছো না যে? আমি জিজ্ঞেস করি।
  --কি বলবো? ভগবান যার প্রতি বিরূপ লোকের বিরূপতায় তার কি এসে যায়। দার্শনিকের মত আওড়ায় মদন।
  --এসব কথা বলে দায় এড়াতে পারোনা তুমি।
  --চাইলেই কি সব এড়ানো যায়? আমার মা-র কি অপরাধ বলতে পারিস? ছোটবেলায় বাবাকে হারালাম।বীমা কোম্পানীতে চাকরি করত।একমাত্র রোজগেরে ছিলেন সংসারে।লেখাপড়া জানলে মা-র হয়তো বাবার অফিসে কোন চাকরি জুটে যেত।একা মহিলা কি করবে,কার কাছে যাবে, চোখের সামনে অন্ধকার। কোম্পানীর একজন এজেণ্ট রণো-কাকু প্রভিডেণ্ট ফাণ্ড গ্রাচুইটি ইত্যাদি আদায় করে দিতে খুব সাহায্য করেছিল।সন্তানের মুখ চেয়ে অসহায় ঘরের বউ পথে নামল পলিসি করতে।অবশ্য ক্লায়েণ্ট ধরে দিত রণো-কাকু। বিধবা মহিলার প্রতি কি করুণা! করুণা নয় ঋণ।চুদিয়ে সেই ঋণ শোধ করতে হয়েছে মা-কে।একদিন রণো-কাকু বাড়িতে এসে আমাকে টাকা দিয়ে বলল, মদন যাতো দোকান থেকে তিন প্লেট বিরিয়ানি নিয়ে আয়। বিরিয়ানি নিয়ে ফিরে দেখি দরজা বন্ধ।ফুটো দিয়ে যা দেখলাম আমার দম বন্ধ হবার উপক্রম। চোদার সময় মানুষ এত হিংস্র হয় না দেখলে বিশ্বাস করতাম না।মা চিৎ হয়ে কাৎরাচ্ছে আর উদোম রণো-কাকু মা-র বুকে উঠে উদ্দাম বেগে মা-কে ফালাফালা করছে।হাতে ধরা বিরিয়ানির প্যাকেট পাষানের মত দাঁড়িয়ে ছিলাম কতক্ষন জানি না।দরজা খোলার শব্দে তাকিয়ে দেখলাম আমার মা! চোখে মুখে যন্ত্রণার চিনহ মাত্র নেই,বরং তৃপ্তির প্রলেপ।
        এক প্লেট আমাকে দিয়ে দু-প্লেট বিরিয়ানি নিয়ে মা রণো-কাকুর ঘরে চলে গেল।গলাদিয়ে বিরিয়ানি নামছিল না,উঠে ঘরের দরজায় কান পাতলাম।
        মা জিজ্ঞেস করল,রণো শেখ সাহেব কি মুসলমান?
        মাংসের টুকরো মুখে দিতে গিয়ে একটু থেমে বলে রণো-কাকু, হ্যাঁ, পাঠান।তাতে তোমার কি? পাঁচ লাখ টাকার পলিসি করবে আমার সঙ্গে কথা হয়েছে।
   --না সে জন্য কিছু না।শুনেছি ওদেরটা খুব বড় হয়। রণো-কাকু হো- হো  করে হেসে উঠল, দ্যাখো সোনা বড় দাও মারতে একটু বড় তো নিতে হবে ।কষ্ট করলে তবে না কেষ্ট-হা-হা-হা-
      ইচ্ছে করছিল ব্যাটাকে খুন করি শুধু মা-র মুখ চেয়ে নিজেকে অতি কষ্টে দমন করেছি।নানা ধর্ম নানা জাতের জল পড়ে মা-র গুদ গঙ্গা হয়ে গেল।
      মনটা ভারাক্রান্ত।পৃথিবীটা  নিস্তব্ধ মনে হল।মদনের প্রকৃতি হিংস্র সবাই ওকে ভয় করে।এই হিংস্রতার উৎস কোথায়? আমরা বাইরেটা দেখে বিচার করি। কেবল কাজ দেখি,কারণ জানার ধৈর্য বা অবসর আমাদের নেই।
  --কিরে কি ভাবছিস? সেণ্টু হয়ে গেলি? মদন গুমোট ভাবটা কাটাতে চেষ্টা করে।
    আচমকা আমারটা টিপে দিয়ে বলে হাসতে হাসতে বলে, কি পুচকে মাইরি! ফোটালে মনে হয় মেয়েদের রাঙ্গা লিপ্সটিক।
    আমি হেসে বলি, আহা! সবার তোমার মত গদা হবে নাকি?
  --একদিন এই গদা দিয়ে তোকে আদর করব।
  --ব্যাথা লাগবে নাতো? শঙ্কা প্রকাশ করি।
  --পাগল! তুই ব্যথা পেলে আমি সহ্য করতে পারবো? দেখিস কি যত্ন করে চুদি।
             মদনের সাধ পুরণ হয়নি।আবার ফেল করায় স্কুল থেকে ওকে টি.সি. দিয়ে দেওয়া হয়।তারপর কোথায় হারিয়ে গেল।রাতে শুয়ে শুয়ে ওর কথা ভাবতাম।সময় কারো কথা ভাবে না।নানা ঝামেলা, পরীক্ষার চাপ সময় হু-হু করে কেটে গেল।ভালভাবে মাধ্যমিক পাস করে উচ্চ-মাধ্যমিকে ভর্তি হলাম।তারপর তনু-দার কোচিং।তনু-দা স্কুল-টিচার নয় অফিসে কাজ করেন।খুব নাম,দূর দূর থেকে সব পড়তে আসতো।বছর পঞ্চাশ বয়স হবে তনু-দা।বৌদি বেতো রুগী ভাল করে হাটা চলা করতে পারেনা।ভিতরের দিকের দরজা দিয়ে বাড়ির ভিতর যাওয়া যায়।প্রতি শনি-রবিবার কোচিং। সেদিন রবিবার দীনু আমাকে ধাক্কা দিয়ে বলল,সরে বস না,গায়ের উপর এসে পড়ছিস কেন?ব্যাপারটা তনু-দার নজরে পড়ে,উনি আমাকে ডেকে পাশে বসালেন।তারপর আমার কাধে হাত রেখে পড়াতে শুরু করলেন।কোচিং শেষ হলে সবাই চলে গেল।তনু-দা আমাকে  জিজ্ঞেস করলেন, ঘেষাঘেষী করে বসতে ভাল লাগে?
   --আমি ইচ্ছে করে-----।কথা শেষ করিনি ,তনু-দা আমাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেলেন।মুখে জর্দার গন্ধ।আমি কিছু বললাম না।তনু-দা আমার হাতটা ধরে নিজের বাড়ার উপর রাখলেন।আমি মুঠো করে ধরলাম।বড় কিন্তু নরম।আমার গালে গাল ঘষে বললেন,এখন যাও,কাল দুপুরে এসো।
  --কাল কোচিং?
  --স্পেশাল কোচিং।চোখ টিপে হাসলেন।
               বাড়ি ফিরে খাওয়া-দাওয়া করে শুয়ে পড়লাম।মনটা ফুরফুর করছে।স্পেশাল কোচিং শব্দটা কানে সঙ্গীতের মত বাজছে।ঘুম থেকে উঠে স্নান করলাম সাবান মেখে।মদনের ভাষায় লিপ্সটিকের মত নুনুটায় সাবান ঘষলাম।গোড়ায় কয়েকগাছা লালচে রেশমী বাল।সেভ করলে নাকি ঘন হয়।বই খাতা নিয়ে বেরিয়ে এদিক-ওদিক ঘুরে একটা নাগাদ তনু-দার বাড়ি।তনু-দা দরজা খুলল,লুঙ্গি পরা খালি গা।ভুড়িটা লুঙ্গির উপর দিয়ে উপচে পড়ছে।দরজা বন্ধ করে আমাকে জড়িয়ে ধরলেন।তনু-দার মাংসল বুকে আমার মুখ।আমাকে টেবিল ধরে দাড় করিয়ে,প্যাণ্টটা নামিয়ে পাছা টিপতে টিপতে বললেন,তোর পাছাটা মাগীদের মত নরম।
   মজা করে বললাম,বৌদির মত?
   --ও মাগীর পাছায় কড়া পড়ে গেছে।তনু-দার কথা শুনে আমি হেসে ফেললাম।
         নিজের বাড়াটা হাতে ধরে ঝাকাতে লাগলেন, একটু চামড়াটা খোলা বন্ধ করতে করতে বাড়াটা সোজা হল। বা-হাতে পাছাটা ফাক করে ডান হাতে বাড়াটা ধরে ঢুকিয়ে কোমর নাড়তে লাগলেন।আমি বললাম,কি করছেন,ঢোকেনি।
        তনু-দা ঘেমে গেছে বলল,ঢুকছে না কেন বলতো? দাড়া একটু ক্রীম নিয়ে আসি।ভিতরে চলে গেলেন।একটু পরে ফিরে এসে পাছায় ভেসলিন লাগালেন ফুটোর মধ্যে আঙ্গুল দিয়ে ভেসলিন ঢোকালেন।বেশ আরাম হচ্ছিল।নিজের বাড়াতেও  ভেসলিন লাগালেন।তনু-দাকে মনে করিয়ে দিলাম,দরজা বন্ধ করেন নি।আমার পিঠে চড়ে বাড়া ঢুকিয়ে কুত্তার মত পাছা নাড়া শুরু করলেন।
  --তোর বউদি এখন কুম্ভ কর্ণ নিদ্রা দিচ্ছে।তুই পাছাটা ফাক কর।
  --ঢোকেনি,কোথায় ঠাপাচ্ছেন?
  --ঢুকছে না কেন বলতো? মনে মনে বলি শালা ধ্বজভঙ্গ,মুখে বলি,না ঢুকলে আপনার  আঙ্গুল গুলো ঢুকিয়ে দিন।

         দরজায় শব্দ হতে তাকিয়ে দেখি দরজা ধরে দাঁড়িয়ে বেতো রুগীটা। তনু-দা গরু চোরের মত ফ্যাল ফ্যাল ক রে তাকিয়ে থাকে।আমি তাড়াতাড়ি প্যাণ্ট উঠীয়ে চেন টেণে দাঁড়িয়ে আছি।কি করব ভাবছি।
  --তোমার না শরীর খারাপ? অফিস গেলে না।ছিঃ-ছিঃ। এক রাশ ঘৃণা ছিটকে এল।
  হঠাৎ তনু-দা থপ করে বসে বৌদির পা জড়িয়ে ধরে বলল,এবারের মত মাপ করে দাও ,লক্ষিটি।ভুল হয়ে গেছে আর হবেনা। মনে মনে ভাবি ভুল আমার হয়েছে শালা ধ্বজভঙ্গ।পাছায় ভেসলিন চটচট করছে।
  --এই এখানে এইসব করতে আসো? জানোয়ার ছেলে,বাপের বয়সী লোকের সঙ্গে---লজ্জা করেনা? ফের এ মুখো হলে ঝাঁটা মেরে---। বুঝতে পারলাম তনু-দাকে ক্ষমা করে এবার আমাকে নিয়ে পড়লেন।বই গুছিয়ে বেরিয়ে পড়লাম।হাটতে অস্বস্তি হচ্ছে, পাছায় ভেসলিন মাখামাখি।মদনের কথা মনে পড়ল, কি সুন্দর নধর বাড়া! সারা শরীর ঘিরে অতৃপ্তির প্রলেপ। 
 
   
              সময় থেমে থাকে না।দেখতে দেখতে কেটে গেল দুটো বছর।দর্শনে অনার্স নিয়ে পড়ছি।মাঝে মাঝে সাইবার কাফেতে নেট ঘাটাঘাটি করি।খুব অস্বস্তি হলে ডট পেন ইত্যাদি ঢুকিয়ে উত্তেজনা প্রশমিত করতে হয়।পাবলিক ল্যাট্রিনে ঢুকলে কেউ কেউ ঘুরে দাঁড়িয়ে কুৎসিত পুরুষাঙ্গ প্রদর্শন করে। এরা গে নয়, বিকার গ্রস্থ।আবার ইচ্ছে হলে রোমি-দির নাচের স্কুলে সময় কাটাই,মেয়েদের নাচ শেখা দেখি।রোমি-দি রবীন্দ্র ভারতী থেকে নাচে মাষ্টার করেছে, সাধারণ মঞ্চেও তার খ্যাতি আছে।ভাল নাম বললে অনেকে চিনবে। এক সময়ের ব্লাক বেল্ট।রোমি-দির পীড়াপিড়িতে আমি একবার চিত্রাঙ্গদা নৃত্যনাট্যে অর্জুনের ভূমিকা করেছিলাম।রোমি-দি চিত্রাঙ্গদা।
          তাই নিয়ে মা রোমি-দিকে কথা শুনিয়েছিল,তুমি কি আমার ছেলেটাকে মেয়ে বানিয়ে ছাড়বে? রোমি-দি দুঃখ পেয়েছিল কিন্তু কোন প্রতিবাদ করেনি।একবার আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল, চাদু , তুই কি রকম. মেয়ে বিয়ে করতে চাস?
আমি অবাক হলাম,হঠাৎ বিয়ের কথা কেন? রোমি-দিকে তো আমার কথা বলতে পারিনা।এড়িয়ে যাবার জন্য বলি, সে যখন বিয়ে করব তখন ভাববো।
  --তুই যাকে বিয়ে করবি সে খুব সুখী হবে।
  --হ্যাঁ ,তুমি সব জানো।
  --আজকাল মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে ছোট হতে হবে এসব কেউ মানে না।
  --আমিও মানি না।
 রোমি-দি আমাকে দেখে,দৃষ্টিতে আলোর আভাস।তারপর বলে, খুব মন রাখা কথা বলতে শিখেছিস।
  --বা-রে,আমি কি করে জানবো তোমার মনে কি আছে?
      রোমি-দি অবাক  হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে থাকে।কি যেন বোঝার চেষ্টা করে।তারপর মনে মনে হাসে।
   জিজ্ঞেস করলাম,হাসছো কেন?
   --একটা কথা ভবছি।
   --কি কথা ?
   --তুই নাচ শিখিস নি অথচ এত সুন্দর ভঙ্গী চমৎকার তাল লয় বোধ----কি বলবো অনেক পেশাদার শিল্পীর সাথে নেচেছি কিন্তু তোর সাথে নেচে আলাদা সুখ পাই।
   --সে তুমি আমায় ভালবাসো বলে।
   --তুই কি তা বুঝিস? এ কথার কোনো উত্তর হয় না,কিছু বললাম না। মনে হল রোমি-দির চোখের কোল চক চক করছে।আমার ভুলও হতে পারে।
            আমাদের শো হয়েছিল কবি-কেন্দ্র মঞ্চে। শোয়ের দিন সকাল সকাল পৌছে গেলাম,সন্ধ্যে হলে লোকজন চলে আসবে।তার আগে প্রস্তুতি সেরে ফেলা দরকার।বাথ রুম করে বেরিয়ে ভুত দেখার মত চমকে উঠলাম, একী মদন না? না আমার ভুল হয়নি।একী চেহারা হয়েছে? জিজ্ঞেস করি, তুমি এখানে?
   --আমি এখানে কাজ করি।দর্শকদের সিটে বসাই।
   --তুমি--?  দেখলাম হাতে টর্চ।
   --রণো-কাকু ঢুকিয়ে দিয়েছে।যা বিদ্যে এ ছাড়া আর কি করব বলো?
        বল নয় বলো? অনেক বদলে গেছে মদন।দাড়াতে চাইছিল না,চলে যাবার জন্য উস খুস করছে।আমারও তাড়া ছিল,এতক্ষন হয়তো খোজাখুজি শুরু হয়ে গেছে।মে-কাপ নিতে হবে।মদনকে বললাম, শোয়ের পর দেখা কোর।অনেক কথা আছে।এখন যাই--।
            সন্ধ্যা হতেই প্রেক্ষাগৃহ পূর্ন।একদিকে আনন্দ আবার অন্য দিকে ভয়।পর্দা উঠতেই নীরবতা
নেমে এল। রোমি-দি ঢুকল,চমৎকার মানিয়েছে। স্বল্প আলোয়  চিত্রাঙ্গদাকে  অপূর্ব দেখাচ্ছে। যেমন ফিগার তেমনি নাচের ভঙ্গী। নাচের সময় রোমি-দি  অন্য রকম, অন্য জগতের মানুষ।   শ্রোতারা মন্ত্রমুগ্ধ।
এক ঘোরের মধ্যে দিয়ে সময় কেটে গেল।পর্দা পড়তেই হাত তালিতে ফেটে পড়ল।সকলেই খুশি, রোমি-দি আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল্,'তুমি অতিথি  অতিথি আমার   বলো কোন নামে করি সৎকার।'
              বুঝতে পারি রোমি-দি এখনো আবিষ্ট।সবাই দেখছে ,সঙ্কুচিত বোধ করছিলাম।আমার চোখ তখন খুজে বেড়াচ্ছে মদনকে।তা হলে কি আসবে না? 
             গাড়িতে সবাই অভিনযের সাফল্য নিয়ে আলোচণা করছিল।আমার মন তখন হাটতে হাটত চলে গেছে কৈশোরের স্কুল জীবনের সীমানায়।মদন হারিয়ে গেল ঘটনা বহুল অতীতের ভীড়ে।
             সন্ধ্যা বেলা নেট ঘাটাঘাটি করি সময় কাটাবার জন্য।নিজেকে নিয়ে যখন ভাবি খুব অসহায় দিশাহারা  বোধ করি।এটাওটা খুলে দেখি উদ্দেশ্যহীন।একদিন চোখে পড়ল একটি গল্প--  নর দেহে নারী, লেখক মন্দানিল।চমকে উঠলাম, এতো আমাদের কথা! লেখক জানল কি করে? এর সঙ্গে কথা বলতে হবে।মনের জমে থাকা প্রশ্নের উত্তর এর কাছে পাওয়া যাবে।কিন্তু উনি আমাকে পাত্তা দেবেন কেন?প্রশ্নটা মনে আসতে উৎসাহ নিভে গেল।
                                                                                                                                                           মন্দানিলের কথা                                                                                                                                                                                                                                                                                                         "যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে..." গান বেজে ওঠে।     
        আমার মোবাইলের রিংটোন।বইয়ের ভিতর পেজ মার্ক দিয়ে বন্ধ করলাম বইটা।ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি কাঁটা এগারোটার ঘর ছাড়িয়ে চলেছে।এত রাতে আবার কে? পরিচিত কেউ হলে স্ক্রিনে নাম ভেসে উঠতো।ফোন ধরে বললাম, মন্দানিল বলছি।
        কোন সাড়া নেই।এত রাতে কে আবার বাদরামি শুরু করল?ফোন কেটে দেব কি না ভাবছি,অপর প্রান্ত হতে শোনা গেল , কাটবেন না প্লীজ।
       মনে হচ্ছে মেয়ের গলা! জিজ্ঞেস করলাম, কে বলছেন? কাকে চাইছেন? 
       --আপনার সঙ্গে কথা বলতে চাই। এত রাতে বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত।
      --ঠিক আছে।আমি অনেক রাত অবধি জেগে থাকি।আপনি কে?
      --আমি নর দেহে নারী।
      মনে পড়ল এই নামে একটা গল্প নেট-এ পোষ্ট করেছি,হয়তো পড়ে থাকবেন।একটু বিরক্ত নিয়ে বললাম, আপনার নামটা জানতে পারি কি?
      --আমার নাম চন্দ্রনাথ। আমাকে তুমি বলবেন।
    চন্দ্রনাথ? মানে ছেলে? বেশ মজা লাগল।জিজ্ঞেস করি, তোমার বয়স?
     --তেইশ চলছে।
    --আমার বয়স জানো?
    --আপনি লিখেছেন,লিঙ্গ  বয়স  জাত  ধর্ম সম্পর্ক স্থাপনে বাঁধা হতে পারেনা।
    --আমার সে রকম বিশ্বাস।গলার স্বর কথা বলার ভঙ্গী মেয়েলি , বোঝাযায় পড়াশুনা আছে।
    --আপ নার নামটা খটোমটো। কিছু মনে করলেন না তো? এনামে আমাকে কেউ ডাকে না,হাসি পেল ওর কথা শুনে।     --তুমি ছোট করে নিতে পারো, 'তুমি' বললেও আপত্তি নেই।
    --ধন্যবাদ। তোমাকে নীল বলতে পারি কি?
     --তোমার নামটাও সরল নয়।
    --তুমি আমাকে চাদু বা চন্দ্রা ?----চন্দ্রা বললে আমি খুব খুশি হব।
    --চন্দ্রাই বলব।এখন বলোতো কেন ফোন করেছ? 
    ছেলেটি গে আমার ধারণা।গে-দের প্রতি দুর্বলতা আমার বরাবর,আমি আগ্রহ বোধ করি।
    --জানো নীল আমি তোমার লেখা পড়ে মুগ্ধ।
    --তুমি কি লেখা নিয়ে আলোচনা করার জন্য এত রাতে ফোন করেছ?
    --তুমি রাগ করছো? আসলে কি জানো লেখাটা পড়া অবধি তোমার সঙ্গে কথা বলার জন্য আকুল।লেখাটার মধ্যে নিজেকে সনাক্ত করতে পারি।মনে হয় তুমি আমার কত চেনা।
    --ধন্যবাদ।মনে থাকবে।
    --আচ্ছা নীল এসব কি তোমার কল্পনা প্রসূত ?
     --আমার জীবনের অভিজ্ঞতা।
     --আমার ও তাই মনে হয়েছে।তোমার মতামত বেশ সাবলীল  যুক্তি নিষ্ঠ।তুমি যা লিখেছ তা কি অন্তর থেকে বিশ্বাস করো?
     চন্দ্রা পড়াশুনা করা ছেলে,সংবেদনশীল কথাবার্তায় স্পষ্ট।ফোনে কি উত্তর দেব? টেলিফোন কোম্পাণীকে অকারন পয়সা দেওয়া আমার অপছন্দ।ওকে বললাম, দেখ চন্দ্রা ,তোমার সঙ্গে কথা বলতে আমার ভাল লাগছে।কিন্তু ফোনে এতসব--।
      আমাকে শেষ করতে না দিয়ে চন্দ্রা বলল, আমরা কি দেখা করতে পারি?
     --আমার  বাড়িতে অসুবিধে আছে।তুমি যদি জায়গা ঠীক করতে পার যেখানে নিশ্চিন্তে কথা বলতে পারি, তা হলে অবশ্যই দেখা হতে পারে।
     --আমার ও জায়গা নেই তবে ব্যাবস্থা করতে পারি।তুমি আসবে তো?
     --ঠিক আছে বলবে কবে কোথায় কখন? আমি অপেক্ষা করবো।
     --ধন্যবাদ, শুভ রাত্রি।
    অনেক রাত হল আর পড়তে ইচ্ছে করছে না।বইটা তুলে রাখলাম।কত কথা  মনে আসছে।পুরানো কালে মানে রবীন্দ্রনাথ  বঙ্কিমচন্দ্র শরৎচন্দ্র প্রভাত কুমার প্রমূখের লেখায়  সমকামিদের প্রসঙ্গ আসেনি।তখন কি  সমাজে সমকামিতা ছিল না ? তারা কি এ যুগের ফসল? তা কি করে হয়? মহাভারতে শিখণ্ডির কথা আছে, সে তো নরদেহে নারী।চন্দ্রা হয়তো নানা প্রশ্ন করবে, সব প্রশ্নের জবাব দেব সাধ্য কি? আমাকে জানতে হবে,আরো পড়তে হবে।  
                    সংসার বড় নিষ্ঠুর,বড় স্বার্থপর। প্রয়োজন ছাড়া কিছু বোঝেনা।চন্দ্রা প্রসঙ্গ চাপা পড়ে গেছে অন্যান্য ব্যস্ততায়।এক পক্ষকাল কেটে গেছে।একদিন রাতে বেজে উঠল মোবাইল,স্ক্রিনে  ভাসছে চন্দ্রা।
      --আমি নীল বলছি।
      --আমাকে মনে আছে? আমি চন্দ্রা।
      --বুঝতে পেরেছি, বলো।
      --একটু দেরী হল,ঘর পেয়েছি।দুপুর বেলা আসতে পারবে? 
      --কোথায়,কার ঘর?
      --একটা নাচের স্কুল।সুরক্ষিত,নিরাপদ,একটাই সমস্যা খাট নেই,মেঝেতে কার্পেট পাতা।
    কি চাইছে চন্দ্রা? খাট  কার্পেট এসব কথা কেন? শারীরিক সম্পর্কে আগ্রহী? তাতে আমার অনীহা তা নয়।একটা মানসিক প্রস্তুতির প্রয়োজন।
      --তুমি কি শারীরিক সম্পর্ক চাও?
      --তা ছাড়া আরও অনেক কথা আছে।নীল তোমাকে আমার খুব ভাল লাগে।
    চন্দ্রার গলায় আকুলতা টের পাই।তেইশ বছর বয়স আমার অর্ধেকেরও কম।  চিনি না তবু কেন যেন ওর প্রতি একটা দুর্বলতা জন্মে গেছে অজান্তে।বর্তমান সমাজে গে-অস্তিত্বের নানা প্রতিকূলতা।
      --আচ্ছা চন্দ্রা, একটা কথা জিজ্ঞেস করছি কিছু মনে কোরনা।তুমি কি ভার্জিন ?
 কয়েক মুহূর্তের নীরবতা। চন্দ্রা বলল, এক রকম ভার্জিন বলতে পারো। 
 আরও জট পাকিয়ে যায়।এক রকম ভার্জিন? তার মানে কি? যদিও বিষয়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ নয়।ইতিপূর্বে চড় লাথি খাবার অভিজ্ঞতা হয়েছে।তার বেশি আর কি হবে।
      -- ঠিক আছে চন্দ্রা।দুপুর বলতে কটা, কোথায় যেতে হবে? 
      --বুধবার বেলা একটা.......।
       বিস্তারিত বিবরণ কিভাবে যেতে হবে কোথায় দাড়াতে হবে ইত্যাদি জেনে নিয়ে ফোন রেখে দিলাম।আমরা স্বাধীন বলে বড়াই করি আসলে লিখিত অলিখিত নানা বন্ধনে আমরা বাঁধা।ইচ্ছে হলেই যা খুশি তা করতে পারি না।সামাজিক সংস্কার ব্যতিক্রমী ইচ্ছের পরিপন্থী,সব আকুলতা আমরা প্রকাশ্যে ব্যক্ত করতে পারি না।বড় দাবিয়ে রাখে ছোটকে,সবল দুর্বলকে ।নদী বাহিত পলি জমে হয় পাললিক শিলা তখন নদী স্রোত আর তাকে ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পারেনা। আমরা যেদিন শিলায় রূপান্তরিত হব সমাজ তখন আর শাসনের চাবুক হাতে আমাদের বিচার করার সাহস দেখাতে পারবে না। 
             বুধবার।যথাসময় নির্দিষ্ট স্থানে অপেক্ষা করছি।ভর দুপুরে রাস্তায় লোকজন  কম। নজরে পড়ল একটু দূরে একটি ছেলে ফর্সা ছিপছিপে মাথার চুল সামনের দিকে পেতে আচড়ানো।পরনে শ্লিভলেস টি-শার্ট বাড়মূডা।ঘন ঘন ঘড়ি দেখছে। ধীরে ধীরে এগিয়ে এসে আমায় ঘেষে দাড়াল।অন্য দিকে তাকিয়ে বলল,নীল?
            আমার সন্দেহ হয়েছিল আগেই,ওর কাধে হাত রেখে বললাম,চন্দ্রা?
         --চলো।হাটতে শুরু করল।
             আমি ওকে অনুসরন করতে থাকি।রাস্তা পার হয়ে দু-মিনিট হাটার পরে একটা তিন তলা বাড়ির নীচে পৌছালাম।  একতলাটা সব দোকান,নানা রকম সাইনবোর্ড ঝুলছে।একটিতে লেখা--নৃত্যাঙ্গন। 
         --তোমার টি-শার্ট টা বেশ।
         --সেবার রোমি-দি যখন জাপান গেছিল আমার জন্য এনেছে।তুমি একটু অপেক্ষা কর।চন্দ্রা গলির মধ্যে ঢুকে গেল কিছুক্ষনের মধ্যে তিনতলা বাড়ির সদর দরজা দিয়ে বেরিয়ে এসে আমাকে ডাকল।বুঝলাম গলি দিয়ে রাস্তা আছে।আমি ওকে অনুসরন করে ভিতরে ঢুকি।বিশাল ঘর।ঢুকেই সামনে ছ-ফুট দেওয়াল জোড়া আয়না।বা-দিকে  বড় একটা নটরাজের মূর্তি।তার নীচে মোটা কার্পেট ।আর এক দেওয়ালে দুটো দেওয়াল আলমারি, একটি পাল্লা-অলা আরেকটি পাল্লা খোলা।পাল্লা খোলা আলমারিতে হারমনিয়াম তবলা ঝুমঝুমি প্রভৃতি বাদ্যযন্ত্র।আর দু-তিনটে টুল।আমি একটা টুল নিয়ে বসলাম।টুলের পাশে কার্পেটে চন্দ্রা আমার হাঁটু ছুয়ে।
     রোদের মধ্যে এসে ঘেমে গেছি,পাখার হাওয়ায় বেশ লাগছে।
        --এই নাচের স্কুল কার? আমি জিজ্ঞেস করি।
        --রোমি-দির।দারুন নাচে, নাচের দল নিয়ে জাপান ঘুরে এসেছে।রোমি-দি আমাকে খুব ভালবাসে, একটা দোষ খুব জোর খাটায়। জোর করে আমাকে দিয়ে চিত্রাঙ্গদাতে  নাচিয়েছে।রোমি-দি হযেছিল চিত্রাঙ্গদা,দারুন মানিয়েছিল।
আমি বলেছিলাম,খালি-গা হতে লজ্জা করে। তা শুনলে তো? হেসে বলল,তোকে এমন করে সাজাব কেউ তোর ব্রেষ্ট বুঝতে পারবেনা।আমি তোকে শিখিয়ে নেব, তোর দায়িত্ব আমার। ভীষণ জেদি।আজ কলকাতায় ট্যুইশন অনেক রাতে একা একা ফেরে।আমার খুব ভয় করে।
      --তোমার রোমি-দির ভয় করে না?
    প্রশ্ন শুনে হাসে চন্দ্রা।
     --হাসছো কেন?
     --রোমি-দির ভয় নেই।একবার স্কুলের এক ছাত্রীকে মোড়ের ছেলেগুলো টিটকারি দিয়েছিল,রোমি-দি গিয়ে এমন শিক্ষা দিল  আড্ডাটাই উঠে গেল।তুমি যদি দেখতে  ছেলেগুলোর দৌড় !ছেলেগুলো আড়ালে রোমি-দিকে কি বলে জানো? অবশ্য আমার মাও বলে।চন্দ্রা ফিক করে হাসে।
     --কি বলে?
     --বলে মদ্দা!
    --তোমার রোমি-দির কথা থাক।তোমাকে একটা প্রশ্ন করি, ইচ্ছে না হলে উত্তর দিওনা--
    --না-না তুমি বলো কী জানতে চাও?
    --তুমি কবে জানতে পারলে তুমি 'গে',  আর পাঁচজনের মত নও ?
  চন্দ্রা শান্ত হয়ে যায়,কি যেন ভাবে।হয়তো স্মৃতি হাতড়ে আমার প্রশ্নের উত্তর খোজার চেষ্টা করছে কিম্বা ভাবছে কোথা থেকে শুরু করবে?আমি চুপ করে বসে থাকি, কান সজাগ কি বলে চন্দ্রা ? 
                 চন্দ্রা আদ্যোপান্ত একে একে বলে যায়। ছোটবেলায় বসে পেচ্ছাপ করা  স্কুলে প্যাণ্টি পরা  মদনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা  বিচ্ছেদ  তারপর এড়িয়ে যাওয়া মদনের মা চুদিয়ে বীমা পলিসি  করা  কোচিংয়ের স্যর চুদতে গিয়ে না পারা তার বৌয়ের ভর্ৎসনা  রোমী-দির সঙ্গে সম্পর্ক  রোমি-দির  আধিপত্যকামী মনোভাব জোর করে দর্শন নিয়ে কলেজে ভর্তি করা--কোনো কথাই গোপন করে না।
                 আমি চুপচাপ শুনছিলাম আর ভাবছিলাম একটি কুঁড়ি কিভাবে ক্রমশ পুর্ণাঙ্গ কুসুমে রূপান্তরিত হল।জিজ্ঞেস করি, তার মানে তুমি মদনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হবার পর উপলব্ধি করলে তুমি সমকামী?
    --না ঠিক তা নয়।ছোটবেলা থেকে আমি অনুভব করতাম আমি অন্য রকম, অন্যান্যের চেয়ে আলাদা।তখন গে  কি তা জানতাম না।
    --হুম ।এবার বলো তোমার প্রশ্নটা কি?
    --প্রতিনিয়ত এক অসহ যন্ত্রনা বহন করে চলেছি।ভাবতে গেলে দিশাহারা বোধ করি। সমকামিরা চিরকাল সমাজে অচ্ছুৎ হয়ে থাকবে? মানুষের ঘৃনা অবজ্ঞা  তাচ্ছিল্য কুড়িয়ে কাটবে তাদের জীবন? সমাজ কি কোনদিন তাদের স্বীকৃতি দেবে না? নিজের মত করে বাঁচতে চাই--কি এমন অসম্ভব চাওয়া? আমরা কি করবো,কী ভাবে বাঁচবো?
     আমি অন্য কথা ভাবছিলাম।চিত্রাঙ্গদা রোমি-দির প্রিয় চরিত্র।তার মানে অবদমিত পুরুষসত্তা?নারী দেহে পুরুষ? উর্বশীর অভিশাপে অর্জুনের ক্লীবত্ব প্রাপ্তি  বিরাট রাজার অন্দরে নৃত্য শিক্ষিকা।চন্দ্রার উপর জুলুম  dominating personality? আলোর আভাষ দেখতে পেলাম।
     --কি ভাবছো নীল? আমার কথার উত্তর দিলে নাতো?
      চন্দ্রাকে দুহাতে তুলে দাড় করিয়ে বললাম, আপাতত আমি তোমাকে আদর করবো।
      জড়িয়ে ধরে চুমু খেলাম। বুকের মধ্যে চন্দ্রার শরীরটা পাখির মত ছটফট করছে। দুটি অসমবয়সী উলঙ্গ পুরুষ আয়নায় প্রতিফলিত।কি সুন্দর দেহ-সৌষ্ঠব চন্দ্রার,লিঙ্গটি বাদ দিলে পূর্ণ্যযৌবণা যুবতী।চন্দ্রা নীচু হয়ে বাড়ার চামড়া খুলে মুখে পুরে নিয়েছে।ঠোটের কষ বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে লালা। এরকম চললে বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারবোনা বুঝতে পারছি।বগলের নীচে হাত দিয়ে চন্দ্রাকে দাড় করিয়ে নীচু হয়ে স্তন চুষতে শুরু করি।আমার মাথায় পিঠে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে।হঠাৎ স্তন ছাড়িয়ে নিয়ে  কার্পেটে উপুড় হয়ে পাছা উচু  করে বলল চন্দ্রা, এবার আমার কৌমার্য  হরণ করো নীল।
আমি হাটু গেড়ে বসে পাছাটা ফাক করতে রক্তাভ নিরীহ গুপ্তাঙ্গ স্পষ্ট হল।মুণ্ডিটা ঠেকিয়ে চাপ দিতে বেকে গেল।মুখের কাছে নিয়ে লালা মাখিয়ে দিতে বললাম, বাড়াটা বার কযেক  মুখে নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে লালা জব জব হয়ে গেল।এবার গুপ্তাঙ্গে রেখে চাপ দিতে পুউচ করে ঢুকে গেল। আমার  তলপেট ওর পাছায় সেটে গেছে। চন্দ্রা কঁকিয়ে উঠল, উঃ-মা-গো-ও-ও-।
        মুণ্ডিটা ভিতরে রেখে বাকীটুকু বার করে আবার চাপ দিলাম। এভাবে ঠাপাতে ঠাপাতে তল পেটের নীচে হাত নিয়ে ওর বাড়াটা খেচতে থাকি।
     --ওঃ নীল তুমি আমাকে মেরে ফেলবে নাকি?
      কিছুক্ষন পর আর ধরে রাখতে পারিনা,উষ্ণ ঘন তরল গলগলিয়ে বেরিয়ে গেল।একই সঙ্গে চন্দ্রাও পুচ পুচ করে ছেড়ে দিল।হাত দিয়ে ধরে নিল যাতে কার্পেট নোংরা না হয়।বেসিনে গিয়ে হাত ধুয়ে এল।জামা প্যাণ্ট পরে টুলে বসে আরাম করে সিগারেট ধরালাম।চন্দ্রা জিজ্ঞেস করল, ড্রিঙ্ক করবে ?আল মারিতে আছে।
    --কার?
    --রোমি-দির।চন্দ্রা হাসল।
    --উনি ড্রিঙ্ক করেন?
    --ড্রিঙ্ক করে সিগারেট খায় তবে সবার সামনে নয়।
    --না আজ থাক।আচ্ছা চন্দ্রা মহাভারত পড়েছো?
   চন্দ্রা অবাক হয়ে আমাকে দেখে। হঠাৎ মহাভারত কেন?আমি জানি ও পড়েছে।
    --দেখ মদন তোমাকে সত্যি ভালবাসতো।সবাই ভালবাসার মানুষকে সুখি দেখতে চায়।তাই স্বার্থপরের মত নিজের জীবনের সঙ্গে তোমাকে জড়িয়ে তোমার ভবিষ্যৎ নষ্ট করতে চায় নি।তোমাকে এড়িয়ে গেছে।আমার বিশ্বাস সে এখনও তোমার সব খবর রাখে।
   --কিন্তু --।চন্দ্রা কি যেন বলতে চায়,আমি হাত তুলে বিরত করলাম।
   --মদনের মা --স্নেহময়ী জননী।নিজের চেয়ে সন্তানের অস্তিত্ব তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাকে চুদিয়ে পলিসি করাতে হয়।এই ত্যাগ তিতিক্ষার নমুনা আমরা পুরানেও পাব। তার প্রতি আমার শ্রদ্ধা রইল।
   চন্দ্রা মুগ্ধ দৃষ্টিতে আমাকে দেখে।
  --তোমার কোচিংযের মাষ্টার বিকার গ্রস্থ কামুক।বউ তৃপ্তি দিতে পারেনি,অসুস্থ কাম চরিতার্থ করতে এরা যে কোন পথ নিতে দ্বিধা করে না।
    সিগারেটে দীর্ঘ টান দিয়ে একটু চুপ করে থাকি।
   --এবার তোমার রোমি-দি, বিদুষী প্রতিভাবান প্রত্যয়ী। ওকে আমার দেখতে ইচ্ছে হয়।
   --আজ কোলকাতায় গেছে।
   --চিত্রভানুর কন্যা চিত্রাঙ্গদা।পিতা তাকে পুত্রের মত লালন -পালন করেছেন।রোমি-দির প্রিয় চরিত্র তিনি।কেন? কারণ ঐ চরিত্রে অভিনয় করে অবদমিত পুরুষ-সত্তা মুক্তির স্বাদ পায়।তোমার মনে আছে,তুমি নিজেকে বলেছিলে নরদেহে নারী। বাইরে নর অথচ অন্তঃসত্তা নারী।সেই নারী-সত্তা বিপরীত মানসিকতার সঙ্গ পেতে আকুল।সমকামী হলেও তারা বিপরীত মানসিকতায় স্বস্তি পায়।শরীরের নানা বিকল্প হতে পারে কিন্তু মানসিকতার কোণ বিকল্প নেই।কিছু মনে কোর না,আমার ধারণা তোমার রোমি-দি নারী দেহে একজন পুরুষ, সর্বতোভাবে তোমার পরিপূরক--।
   --নীল আমি রোমি-দিকে না দেখলে থাকতে পারি না।যদি আমাকে ত্যাগ করে সেই ভয়ে আমি ওর সব কথা শুনি।
   --উর্বশীর অভিশাপে অর্জুন পুরুষত্ব হারিয়ে বিরাট রাজার অন্তঃপুরে নৃত্য শিক্ষিকা হয়েছিলেন।তোমার মধ্যে উনি অর্জুনকে প্রত্যক্ষ করেন।আমার মনে হয়---।
     দরজার কড়া নড়ে উঠল।চন্দ্রা অবাক হয়ে আমাকে দেখে।চন্দ্রা উঠে দরজা খুলে দেয়।তাকিয়ে দেখলাম, পুরুষালি ঢঙ্গে এক পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে একজন মহিলা।অত্যন্ত বিরক্তি নিয়ে আমাকে দেখছেন।
   --তুমি কোলকাতা যাওনি? চন্দ্রা জিজ্ঞেস করে।
   --এইসব করার জন্য কলেজ কামাই করলি? মহিলার অভিভাবক সুলভ স্বর।নিজেকে অবাঞ্ছিত মনে হল।চন্দ্রাকে বললাম, আমি আসি।
     আমি বেরোতে দরজা বন্ধ করে দিলেন মহিলা। কৌতূহল বশতঃ নড়তে পারলাম না।স্পষ্ট শোনা যাচ্ছিল ভিতরের  সংলাপ।
    --অন্যায় করেছি। বিশ্বাস করো আমি তোমাকে খুব ভালবাসি রোমী-দি।
    --আমি তোর থেকে সাত-আট বছরের বড়।
    --তুমি তো জানো রোমি-দি আমি ওসব মানি না।
    --তা হলে রোমি-দি-রোমি-দি করছিস কেন?
    --তা হলে কি বলব তুমি বলো। 
    --আমি তিনটের সময় এসেছিলাম।তুই আজ যা করলি--আমার খুব কষ্ট হয়েছে। কোলকাতা যেতে পারলাম না।
    --তুমি কষ্ট পাও এমন কাজ আমি আর কোনদিন করবো না।
     রোমি ঠাস করে এক চড় কষিয়ে দেয়।
    --তুমি আমাকে মারলে?
    --বেশ করবো ।মারব-ভালবাসবো-আদর করবো ।আমার অর্জুন--।
    --আঃ আস্তে ....লাগছে...লাগছে..। আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে....।
     এরপর সব ভিস্যুয়াল আর দাঁড়িয়ে থেকে লাভ নেই।বাড়ির দিকে পা বাড়ালাম।ফোন বুক হতে চন্দ্রার নাম ডিলিট করে দিলাম।