azbull_hot.blogspot.com
সন্ধার আধার ক্রমশ গাঢ় হয়।ময়দানের চারপাশে রাস্তায় বাতিস্তম্ভের আলো আরো উজ্জ্বলতর দেখায়। ময়দানের একপ্রান্তে সুমনকে কোলে নিয়ে বসে আছি।বাইশ-তেইশ বছর হবে সুমন ,বয়স্ক লোক ওর ভাল লাগে।আমি ওকে বলেছি আমার বয়স, প্রায় তিন গুন। কে শোনে কার কথা।আমার প্যাণ্টের চেন খুলে পুরুষাঙ্গটি ওর মুঠিতে ধরা।নানা সুখ-দুঃখের গল্প করছি। বিশেষ করে গে-জীবনের যন্ত্রনার কথা। সমাজ আমাদের কিভাবে দেখে,কেন আমাদের প্রতি এত ঘৃনা?ওকে চুমু দিলাম।কখনো নীচু হয়ে সিমি পুরুষাঙ্গটি চুষছে। সুমনই বলেছে ওকে সিমি বলতে।
আচ্ছা নীল,তুমি সত্যি আমায় ভালবাসো? সিমি জিজ্ঞেস করে।
তোমার কি মনে হয়? এতদিন পরে এ প্রশ্ন?
রাগ কোরনা লক্ষিটি, আমার শুনতে ভাল লাগে।
আমি জড়িয়ে ধরে চুমু খাই সিমিও ওর জিভটা মুখের ভেতর ঠেলে দেয়। রাত বাড়ছে অন্ধকারে ঘড়ি দেখে সময় বোঝার উপায় নেই।হঠাৎ অন্ধকার ফুড়ে যমদুতের মত চারটে ছায়া মূর্তির উদয়।এরা কারা? পুলিশ নয় পোষাক দেখে বোঝা যায়। ষণ্ডা-গণ্ডা টাইপ আমাদের ঘিরে ফেলেছে।সিমি ঝট করে পুরুষাঙ্গটা প্যাণ্টের মধ্যে ঠেলে দিয়ে উঠে দাড়ায়।
এখানে কি হচ্ছে?
কি আবার হবে? আমরা গল্প করছি।
উরি-শা-ল আ।এতো ছেলে!শালা গাঁঢ় মারামারি করা হচ্ছে?
আমি আর চুপ থাকতে পারলাম না, প্রতিবাদ করি, ভদ্রভাবে কথা বলুন।
বাঞ্চোৎ ভদ্রতা শেখাতে এসেছে--।বলেই আমার গালে ঠাস করে এক চড় বসিয়ে দেয়।
খবরদার গায়ে হাত দেবে না। সিমি গর্জে ওঠে।
এই খোকা কি নাম রে তোর? বড্ড তেজ দেখছি।
সিমি।
কি?
ওর নাম সুমন।আমি বললাম।
হঠাৎ ওদের নজরে পড়ে আমার প্যাণ্টের চেন খোলা।সেদিকে তাকিয়ে একজন বলল,আর-ই মাইরি! দোকানের ঝাপ এখনো বন্ধ হয়নি।তারপর একটা হাত দিয়ে বাড়াটা ছুয়ে এমনভাবে সরিয়ে নিল যেন বিদ্যুতের ঝটকা লেগেছে।
কি হল রে বাচ্চু?
কি সাইজ মাইরি! এ জিনিষ বাচ্চাটা নিতে পারবে? শ্লা ফেটে চৌচির হয়ে যাবে না?
কি কাকু,এত বয়স হল আপনার লজ্জা করে না?
ঠিক আছে ভুল হয়ে গেছে। আমি কথা বাড়াতে চাইলাম না।
কান ধর।
না। নীল তুমি কান ধরবে না।অসভ্য লোক গুলোর কথা তুমি শুনবে না,দাঁড়াও আমি পুলিশ ডাকছি।
কিছু বলছি না তাই? ছেলেটাতো ম্যালা ফ্যাচ ফ্যাচ করছে।এই ফোট--ফোট বলছি----।
কেন এটা তোমাদের জমিদারি নাকি?
সিমি আমার দিব্যি তুমি যাও।আমি বললাম।সিমি থতমত খেয়ে তাকিয়ে রইল আমার দিকে।তারপর অভিমান নিয়ে ধীরে ধীরে চলে গেল ময়দান ছেড়ে।
এই যে এবার কান ধর।
চারদিকে দেখলাম,গোলমাল শুনে ভীড় জমেনি।কেলেঙ্কারির একশেষ হত।কান ধরলাম।
এবার ওঠবোস শুরু কর।
ছেড়ে দে বাচ্চু। অপর একটি ছেলে বলল।আচ্ছা কাকু বাচ্চা ছেলে আপনার ছেলের বয়সী একটু লজ্জা করল না? ছিঃ কাকু ছিঃ।এতো যৌন বিকার! আপনি কাউন্সেলিং করান।
অন্যায় হয়ে গেছে ভাই।
দীপু তুই এসব মাল চিনিস না,সুযোগ পেলেই আর একটা বাচ্চাকে ধরে গাড় মারবে--
ঠিক আছে ,বাপের বয়সী লোক কি বলবো।দীপু বলে।
যা ফোট এ যাত্রায় দীপুর জন্য বেঁচে গেলি।
ধীরে ধীরে মাঠ ছেড়ে রাস্তায় এলাম।পাকুড় গাছের নীচে বাধানো বেদিতে বসলাম।খুব ক্লান্ত একাকী মনে হচ্ছিল।
খুব অপমান হল।সংবাদ পত্রে খবর হবার ভয়ে নীরবে সহ্য করলাম।ওদের মধ্যে দীপু ছেলেটা ভদ্র,সম্মান দিয়ে কথা বলছিল।যৌন বিকার কথাটা শুনে মজা লাগল।কোনটা স্বাভাবিক আর কোনটা বিকার কে ঠিক করবে?হঠাৎ কার হাতের স্পর্শে চমকে মুখ তুলে তাকালাম,সিমি তুমি যাওনি?
তুমি কি করে ভাবলে তোমাকে এভাবে একলা ফেলে আমি চলে যাব? সারারাত আমি ঘুমোতে পারতাম?
সিমির কথায় চোখে জল চলে এল।পাশে বসে সিমি।
তোমার খুব খারাপ লাগছে তাই না? সিমি আমার গালে চুমু খায়।
খারাপ লাগার কি আছে? ইতিহাস ঘাটলে দেখবে সংখ্যালঘুরা আবহমানকাল ধরে সংখ্যাগুরুদের দ্বারা লাঞ্ছিত হয়ে এসেছে।এতো কোন নতুন ঘটনা নয় সিমি। নতুনকে নানা বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে প্রতিষ্ঠা পেতে হয়।
তোমার কথা শুনলে আত্মবিশ্বাস জাগে।সিমি চেন খুলে পুরুষাঙ্গটা বের করে নেয়।বাড়া ঘাটতে ওর কি যে ভাল লাগে।যতক্ষন একসঙ্গে থাকি আমার বাড়াটা নিয়ে ঘাটাঘাটি করবে।আমি
বাধা দিই না।ওর যখন ভাল লাগে ধরে থাকুক।ওকে জড়িয়ে ধরে হাটতে থাকি গঙ্গার দিকে।নির্জন পথ একটু আগের গ্লানি শীতল বাতাসে যেন উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
জান নীল আমার ইচ্ছে করে সারাক্ষন এটাকে নিয়ে খেলা করি।
আমার প্রতি তোমার তাহলে কোন টান নেই?
ওমা! আমি কি তাই বললাম? এটাছাড়া তুমি আর তুমি ছাড়া এটা কি সম্ভব?
সিমি তুমি আমাকে খুব ভালবাসো ?
বোকার মত প্রশ্ন কোর না তো।নীল তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করব?
কি কথা ? আহ-আঃ,আস্তে টানো ছিড়ে ফেলবে নাকি?
সিমি হেসে ফেলে বলে,হ্যাঁ ছিড়ে আমার কাছে রেখে দেব।
আমরা আকাশবানী ভবনের কাছে চলে এসেছি।রাস্তাটা বেশ নির্জন,সিমিকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেলাম।সিমি আমার গলা জড়িয়ে ধরে।কে যেন আসছে দূর থেকে। তাড়াতাড়ি ছেড়ে দিয়ে আমরা হাটতে থাকি।সিমি কোন কথা বলে না,কেমন চুপচাপ।লোকটি পাশ দিয়ে যেতে যেতে অদ্ভুত ভাবে আমাদের দেখে।
কি ভাবছো সিমি?
নিজের কথা ভাবছি।ঈশ্বর আমাকে নিয়ে কি করতে চায়? জানি না---।দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে।
চিন্তা কোর না,পথ একটা বেরিয়ে যাবে।
আচ্ছা নীল আমরা এক সঙ্গে থাকতে পারিনা?
তা হয় না।
কেন হয় না? তুমি তো আমাকে ভালবাসো।আমি কি তোমায় সুখ দিতে পারি না?
শোন সিমি অবুঝ হয়ো না।আমি বিবাহিত।
কেন তুমি বিয়ে করলে?
যখন বিয়ে করি তখন আমার প্রকৃত স্বরূপ বুঝতে পারিনি।
জানো আমি ছবি আঁকায় মন দিতে পারি না।কি ভাবে আমার জীবন কাটবে,ভাসতে ভাসতে কোথায় গিয়ে ঠেকবে.....।
সেই ছেলেটার কি খবর? যে একাডেমিতে তোমাকে চুমু খেল?
ওঃ পৃথীশ? ও সেক্স ছাড়া কিছু বোঝে না।বিয়ে দূরের কথা লিভটুগেদারেও রাজী নয়।দিল্লীর প্রদর্শনীতে আলাপ। আমাকে ছোটখাট কিছু কাজ পাইয়ে দিয়েছে।
তোমরা কি এক কলেজ থেকে পাস করেছো?
না-না পৃথ্বীশ দিল্লী থেকে আর আমার গভঃ আর্ট কলেজ।ওর ফাইন আর্টস আমার স্কাল্পচার।
ছেলেটা কিন্তু তোমার সঙ্গে মানাবে।তোমার প্রতি দুর্বলতা আছে।
আমারো ভাল লাগত,দিল্লীতে আমরা একরাত সহবাস করেছি।
দেখতে দেখতে আমরা বাবুঘাটে চলে এসেছি। ফুচকা আলুকাবলিওয়ালা কিছু ভবঘুরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে।সারি সারি বাস দাঁড়িয়ে নানা গন্তব্যের।গঙ্গার তীরে এসে দাড়ালাম।গঙ্গার চড়া প্রসাধন এক মহিলা একটি পুরুষের সঙ্গে কথা বলছে।ওদের অতিক্রম করে আমরা নীচে নামছি কানে এল সেই মহিলার গলা, হোমো।কান দিলাম না।তীরে সারি সারি নৌকা বাধা।একটি মাঝি গলুইয়ে দাঁড়িয়ে গঙ্গার দিকে কি যেন দেখছে।
ভাই কত ভাড়া?
ঘণ্টা পঁচিশ টাকা। আসুন ভিতরে বিছানা আছে।
সিমি এস।আমরা নৌকায় উঠলাম।মাঝি বিড়িতে শেষ টান দিয়ে নৌকা ভাসিয়ে দিল। ছইয়ের থেকে নীল পর্দা ঝুলছে ভিতরে ঢুকে পড়লাম।
বাবু বিছানায় যেন না পড়ে।মাঝি বলে।
নৌকা ভাটির টানে পশ্চিম-দক্ষিন দিকে ভেসে চলল।চাঁদের আলো এসে পড়েছে।দু'জনে উলঙ্গ হলাম।সিমি আর দেরী করল না,বাড়াটা মুখে নিয়ে চোষা শুরু করে দিল।কিছুক্ষন পরেই ইটের মত শক্ত,বুঝলাম দেরী করলে মুখেই পড়ে যাবে।ফুর ফুর করে হাওয়া দিচ্ছে।সিমি বা-হাত দিয়ে বালে মৃদু টান দিচ্ছে।দেখতে পাচ্ছি সিমির পাছায় চাঁদের আলো পড়েছে।ও খুব ফর্সা,বুক বেশ উচু।মাথার চুলে হাত বুলিয়ে দিয়ে বললাম,এবার তুমি শুয়ে পড় সোনা।
আর একটু।সিমি বলল।আমি ওকে উপুড় করে শুইয়ে দিলাম।নৌকা মাঝ নদীতে প্রায়।ও পাড়ে অন্ধকার জোনাকির মত জ্বলছে বাতি স্তম্ভের আলো।পাছা টিপতে লাগলাম নরম মসৃন পাছা।মৃদু কামড় দিলাম পাছায়।
পাছাটা একটু উচু করো সোনা।সিমি কনুইয়ে ভর দিয়ে পাছা উচু করল। দুহাতে পাছা ফাক করতে তামার পয়সার মত রক্তাভ গুপ্তাঙ্গ দেখতে পেলাম।একঘণ্টা সময় আর দেরী করা ঠিক হবেনা।ঠাটানো বাড়াটা ঠেকিয়ে জোরে ঠাপ দিতে সিমি ককিয়ে উঠল, উর-ই মাগো-ও-ও-।
মাঝি বলল, বাবু আস্তে,শব্দ কইরেন না।
কি সিমি লাগছে?
নাঃ-আ।তুমি চুদে যাও।
জলে বৈঠার জলে পড়ার ছলাক ছলাক শব্দ তালে তালে আমি ঠাপ দিতে থাকি।সিমি উম-হু উম-হু করে ঠাপ উপভোগ করে।ভাবছি সিমি জিজ্ঞেস করছিল "আমি কি সুখ দিতে পারি না"।সিমি তুমি আমাকে যা সুখ দিচ্ছো আমি ভুলব না।ওরে দেখে যা বাচ্চা ছেলে নেতে পারবে কিনা।
জোরে জোরে নীল আমার ভিতরটা শূর শূর করছে,বাড়া দিয়ে ভাল করে ঘষে ঘষে দাও।
আমি ঠাপের গতি বাড়ালাম।নৌকা এবার উজান ঠেলে উত্তর-পুব দিকে চলেছে। পুর পুর করে ঢোকাচ্ছি আবার বার করছি। ধীরে ধীরে তীর স্পষ্ট হচ্ছে।আর পারছি না,শরীর কাঁপিয়ে গল গল করে উষ্ণ বীর্য সিমির শরীরে ঢেলে দিলাম।কিছুক্ষন বিশ্রাম নিয়ে সিমিকে চিৎ করে কোলে বসালাম।আমার বুকে হেলান দিয়ে বসল। ডান হাতে ওর পুচকে বাড়াটা খেচতে লাগলাম। সিমি পা-দুটো সামনের দিকে মেলে দিয়েছে।একটু আগের সুখের আবেশ ওর চোখে মুখে।
কিছক্ষন খেচার পর পিচ পিচ ক রে মাল বেরিয়ে এল।
সিমি উ-হু-উ উ-হু-উ করে উঠল।মাঝি বলল, আস্তে আমরা পাড়ের কাছে এসে গেছি।উজান ঠেলে নৌকা তীরে ভিড়তে চলেছে।আমরা প্যাণ্ট জ়ামা পরে নিলাম।সিমির পাছার থেকে রস গড়িয়ে আমার পেটে পড়েছে।ভাবছি আমরা তীরে পৌছালাম সিমি কি তার দিশা খুঁজে পাবে?
আচ্ছা নীল,তুমি সত্যি আমায় ভালবাসো? সিমি জিজ্ঞেস করে।
তোমার কি মনে হয়? এতদিন পরে এ প্রশ্ন?
রাগ কোরনা লক্ষিটি, আমার শুনতে ভাল লাগে।
আমি জড়িয়ে ধরে চুমু খাই সিমিও ওর জিভটা মুখের ভেতর ঠেলে দেয়। রাত বাড়ছে অন্ধকারে ঘড়ি দেখে সময় বোঝার উপায় নেই।হঠাৎ অন্ধকার ফুড়ে যমদুতের মত চারটে ছায়া মূর্তির উদয়।এরা কারা? পুলিশ নয় পোষাক দেখে বোঝা যায়। ষণ্ডা-গণ্ডা টাইপ আমাদের ঘিরে ফেলেছে।সিমি ঝট করে পুরুষাঙ্গটা প্যাণ্টের মধ্যে ঠেলে দিয়ে উঠে দাড়ায়।
এখানে কি হচ্ছে?
কি আবার হবে? আমরা গল্প করছি।
উরি-শা-ল আ।এতো ছেলে!শালা গাঁঢ় মারামারি করা হচ্ছে?
আমি আর চুপ থাকতে পারলাম না, প্রতিবাদ করি, ভদ্রভাবে কথা বলুন।
বাঞ্চোৎ ভদ্রতা শেখাতে এসেছে--।বলেই আমার গালে ঠাস করে এক চড় বসিয়ে দেয়।
খবরদার গায়ে হাত দেবে না। সিমি গর্জে ওঠে।
এই খোকা কি নাম রে তোর? বড্ড তেজ দেখছি।
সিমি।
কি?
ওর নাম সুমন।আমি বললাম।
হঠাৎ ওদের নজরে পড়ে আমার প্যাণ্টের চেন খোলা।সেদিকে তাকিয়ে একজন বলল,আর-ই মাইরি! দোকানের ঝাপ এখনো বন্ধ হয়নি।তারপর একটা হাত দিয়ে বাড়াটা ছুয়ে এমনভাবে সরিয়ে নিল যেন বিদ্যুতের ঝটকা লেগেছে।
কি হল রে বাচ্চু?
কি সাইজ মাইরি! এ জিনিষ বাচ্চাটা নিতে পারবে? শ্লা ফেটে চৌচির হয়ে যাবে না?
কি কাকু,এত বয়স হল আপনার লজ্জা করে না?
ঠিক আছে ভুল হয়ে গেছে। আমি কথা বাড়াতে চাইলাম না।
কান ধর।
না। নীল তুমি কান ধরবে না।অসভ্য লোক গুলোর কথা তুমি শুনবে না,দাঁড়াও আমি পুলিশ ডাকছি।
কিছু বলছি না তাই? ছেলেটাতো ম্যালা ফ্যাচ ফ্যাচ করছে।এই ফোট--ফোট বলছি----।
কেন এটা তোমাদের জমিদারি নাকি?
সিমি আমার দিব্যি তুমি যাও।আমি বললাম।সিমি থতমত খেয়ে তাকিয়ে রইল আমার দিকে।তারপর অভিমান নিয়ে ধীরে ধীরে চলে গেল ময়দান ছেড়ে।
এই যে এবার কান ধর।
চারদিকে দেখলাম,গোলমাল শুনে ভীড় জমেনি।কেলেঙ্কারির একশেষ হত।কান ধরলাম।
এবার ওঠবোস শুরু কর।
ছেড়ে দে বাচ্চু। অপর একটি ছেলে বলল।আচ্ছা কাকু বাচ্চা ছেলে আপনার ছেলের বয়সী একটু লজ্জা করল না? ছিঃ কাকু ছিঃ।এতো যৌন বিকার! আপনি কাউন্সেলিং করান।
অন্যায় হয়ে গেছে ভাই।
দীপু তুই এসব মাল চিনিস না,সুযোগ পেলেই আর একটা বাচ্চাকে ধরে গাড় মারবে--
ঠিক আছে ,বাপের বয়সী লোক কি বলবো।দীপু বলে।
যা ফোট এ যাত্রায় দীপুর জন্য বেঁচে গেলি।
ধীরে ধীরে মাঠ ছেড়ে রাস্তায় এলাম।পাকুড় গাছের নীচে বাধানো বেদিতে বসলাম।খুব ক্লান্ত একাকী মনে হচ্ছিল।
খুব অপমান হল।সংবাদ পত্রে খবর হবার ভয়ে নীরবে সহ্য করলাম।ওদের মধ্যে দীপু ছেলেটা ভদ্র,সম্মান দিয়ে কথা বলছিল।যৌন বিকার কথাটা শুনে মজা লাগল।কোনটা স্বাভাবিক আর কোনটা বিকার কে ঠিক করবে?হঠাৎ কার হাতের স্পর্শে চমকে মুখ তুলে তাকালাম,সিমি তুমি যাওনি?
তুমি কি করে ভাবলে তোমাকে এভাবে একলা ফেলে আমি চলে যাব? সারারাত আমি ঘুমোতে পারতাম?
সিমির কথায় চোখে জল চলে এল।পাশে বসে সিমি।
তোমার খুব খারাপ লাগছে তাই না? সিমি আমার গালে চুমু খায়।
খারাপ লাগার কি আছে? ইতিহাস ঘাটলে দেখবে সংখ্যালঘুরা আবহমানকাল ধরে সংখ্যাগুরুদের দ্বারা লাঞ্ছিত হয়ে এসেছে।এতো কোন নতুন ঘটনা নয় সিমি। নতুনকে নানা বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে প্রতিষ্ঠা পেতে হয়।
তোমার কথা শুনলে আত্মবিশ্বাস জাগে।সিমি চেন খুলে পুরুষাঙ্গটা বের করে নেয়।বাড়া ঘাটতে ওর কি যে ভাল লাগে।যতক্ষন একসঙ্গে থাকি আমার বাড়াটা নিয়ে ঘাটাঘাটি করবে।আমি
বাধা দিই না।ওর যখন ভাল লাগে ধরে থাকুক।ওকে জড়িয়ে ধরে হাটতে থাকি গঙ্গার দিকে।নির্জন পথ একটু আগের গ্লানি শীতল বাতাসে যেন উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
জান নীল আমার ইচ্ছে করে সারাক্ষন এটাকে নিয়ে খেলা করি।
আমার প্রতি তোমার তাহলে কোন টান নেই?
ওমা! আমি কি তাই বললাম? এটাছাড়া তুমি আর তুমি ছাড়া এটা কি সম্ভব?
সিমি তুমি আমাকে খুব ভালবাসো ?
বোকার মত প্রশ্ন কোর না তো।নীল তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করব?
কি কথা ? আহ-আঃ,আস্তে টানো ছিড়ে ফেলবে নাকি?
সিমি হেসে ফেলে বলে,হ্যাঁ ছিড়ে আমার কাছে রেখে দেব।
আমরা আকাশবানী ভবনের কাছে চলে এসেছি।রাস্তাটা বেশ নির্জন,সিমিকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেলাম।সিমি আমার গলা জড়িয়ে ধরে।কে যেন আসছে দূর থেকে। তাড়াতাড়ি ছেড়ে দিয়ে আমরা হাটতে থাকি।সিমি কোন কথা বলে না,কেমন চুপচাপ।লোকটি পাশ দিয়ে যেতে যেতে অদ্ভুত ভাবে আমাদের দেখে।
কি ভাবছো সিমি?
নিজের কথা ভাবছি।ঈশ্বর আমাকে নিয়ে কি করতে চায়? জানি না---।দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে।
চিন্তা কোর না,পথ একটা বেরিয়ে যাবে।
আচ্ছা নীল আমরা এক সঙ্গে থাকতে পারিনা?
তা হয় না।
কেন হয় না? তুমি তো আমাকে ভালবাসো।আমি কি তোমায় সুখ দিতে পারি না?
শোন সিমি অবুঝ হয়ো না।আমি বিবাহিত।
কেন তুমি বিয়ে করলে?
যখন বিয়ে করি তখন আমার প্রকৃত স্বরূপ বুঝতে পারিনি।
জানো আমি ছবি আঁকায় মন দিতে পারি না।কি ভাবে আমার জীবন কাটবে,ভাসতে ভাসতে কোথায় গিয়ে ঠেকবে.....।
সেই ছেলেটার কি খবর? যে একাডেমিতে তোমাকে চুমু খেল?
ওঃ পৃথীশ? ও সেক্স ছাড়া কিছু বোঝে না।বিয়ে দূরের কথা লিভটুগেদারেও রাজী নয়।দিল্লীর প্রদর্শনীতে আলাপ। আমাকে ছোটখাট কিছু কাজ পাইয়ে দিয়েছে।
তোমরা কি এক কলেজ থেকে পাস করেছো?
না-না পৃথ্বীশ দিল্লী থেকে আর আমার গভঃ আর্ট কলেজ।ওর ফাইন আর্টস আমার স্কাল্পচার।
ছেলেটা কিন্তু তোমার সঙ্গে মানাবে।তোমার প্রতি দুর্বলতা আছে।
আমারো ভাল লাগত,দিল্লীতে আমরা একরাত সহবাস করেছি।
ভাই কত ভাড়া?
ঘণ্টা পঁচিশ টাকা। আসুন ভিতরে বিছানা আছে।
সিমি এস।আমরা নৌকায় উঠলাম।মাঝি বিড়িতে শেষ টান দিয়ে নৌকা ভাসিয়ে দিল। ছইয়ের থেকে নীল পর্দা ঝুলছে ভিতরে ঢুকে পড়লাম।
বাবু বিছানায় যেন না পড়ে।মাঝি বলে।
নৌকা ভাটির টানে পশ্চিম-দক্ষিন দিকে ভেসে চলল।চাঁদের আলো এসে পড়েছে।দু'জনে উলঙ্গ হলাম।সিমি আর দেরী করল না,বাড়াটা মুখে নিয়ে চোষা শুরু করে দিল।কিছুক্ষন পরেই ইটের মত শক্ত,বুঝলাম দেরী করলে মুখেই পড়ে যাবে।ফুর ফুর করে হাওয়া দিচ্ছে।সিমি বা-হাত দিয়ে বালে মৃদু টান দিচ্ছে।দেখতে পাচ্ছি সিমির পাছায় চাঁদের আলো পড়েছে।ও খুব ফর্সা,বুক বেশ উচু।মাথার চুলে হাত বুলিয়ে দিয়ে বললাম,এবার তুমি শুয়ে পড় সোনা।
আর একটু।সিমি বলল।আমি ওকে উপুড় করে শুইয়ে দিলাম।নৌকা মাঝ নদীতে প্রায়।ও পাড়ে অন্ধকার জোনাকির মত জ্বলছে বাতি স্তম্ভের আলো।পাছা টিপতে লাগলাম নরম মসৃন পাছা।মৃদু কামড় দিলাম পাছায়।
পাছাটা একটু উচু করো সোনা।সিমি কনুইয়ে ভর দিয়ে পাছা উচু করল। দুহাতে পাছা ফাক করতে তামার পয়সার মত রক্তাভ গুপ্তাঙ্গ দেখতে পেলাম।একঘণ্টা সময় আর দেরী করা ঠিক হবেনা।ঠাটানো বাড়াটা ঠেকিয়ে জোরে ঠাপ দিতে সিমি ককিয়ে উঠল, উর-ই মাগো-ও-ও-।
মাঝি বলল, বাবু আস্তে,শব্দ কইরেন না।
কি সিমি লাগছে?
নাঃ-আ।তুমি চুদে যাও।
জলে বৈঠার জলে পড়ার ছলাক ছলাক শব্দ তালে তালে আমি ঠাপ দিতে থাকি।সিমি উম-হু উম-হু করে ঠাপ উপভোগ করে।ভাবছি সিমি জিজ্ঞেস করছিল "আমি কি সুখ দিতে পারি না"।সিমি তুমি আমাকে যা সুখ দিচ্ছো আমি ভুলব না।ওরে দেখে যা বাচ্চা ছেলে নেতে পারবে কিনা।
জোরে জোরে নীল আমার ভিতরটা শূর শূর করছে,বাড়া দিয়ে ভাল করে ঘষে ঘষে দাও।
আমি ঠাপের গতি বাড়ালাম।নৌকা এবার উজান ঠেলে উত্তর-পুব দিকে চলেছে। পুর পুর করে ঢোকাচ্ছি আবার বার করছি। ধীরে ধীরে তীর স্পষ্ট হচ্ছে।আর পারছি না,শরীর কাঁপিয়ে গল গল করে উষ্ণ বীর্য সিমির শরীরে ঢেলে দিলাম।কিছুক্ষন বিশ্রাম নিয়ে সিমিকে চিৎ করে কোলে বসালাম।আমার বুকে হেলান দিয়ে বসল। ডান হাতে ওর পুচকে বাড়াটা খেচতে লাগলাম। সিমি পা-দুটো সামনের দিকে মেলে দিয়েছে।একটু আগের সুখের আবেশ ওর চোখে মুখে।
কিছক্ষন খেচার পর পিচ পিচ ক রে মাল বেরিয়ে এল।
সিমি উ-হু-উ উ-হু-উ করে উঠল।মাঝি বলল, আস্তে আমরা পাড়ের কাছে এসে গেছি।উজান ঠেলে নৌকা তীরে ভিড়তে চলেছে।আমরা প্যাণ্ট জ়ামা পরে নিলাম।সিমির পাছার থেকে রস গড়িয়ে আমার পেটে পড়েছে।ভাবছি আমরা তীরে পৌছালাম সিমি কি তার দিশা খুঁজে পাবে?